ইনামুল হক, বসিরহাটঃ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ নয়, সৃষ্টির প্রতি সেবার মানসিকতাই হোক ধর্ম। হিন্দু ধর্মের মহাপুরুষ স্বামী বিবেকানন্দ এই ভাবধারাতে বলেছিলেন- জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর। আমাদের ধর্ম ইসলামও মানুষকে ভালবাসতে ও পরধর্ম সহিষ্ণুতা শেখায়। রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা থানার চড়ুইগাছি জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে জমিয়েতে উলামায়ে বাংলার (ফুরফুরা দরবার শরীফ) কর্মী সম্মেলন ও ২৯ তম বিশ্ব নবী দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠানে এমনই বক্তব্য তুলে ধরেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ্ব শাহ সুফি মাওলানা মুফতি মোঃ আজমতুল্লাহ সিদ্দিকী সাহেব। তিনি বলেন, ধর্মের নামে বিভাজন তৈরি করে সম্প্রীতির ঐতিহ্য নষ্ট করে দিয়ে মানুষের মধ্যে শান্তি নষ্ট করতে চাইছে একদল কুচক্রী, স্বার্থান্বেষী মানুষ।
দাদা হুজুর রহ. এর হাতে গড়া সংগঠন শতবর্ষ প্রাচীন জমিয়তে উলামায়ে বাংলা তাওফুজে দ্বীন বা ইসলামের ঐতিহ্য রক্ষা ও খিদমতে খালক বা সৃষ্টির সেবা করতে বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়ে কাজ করে চলেছে। রাসূল সা. এর দেখানো পথেই মানুষের জন্য কাজ করতে হবে, দাদা হুজুরের সংগঠনের মাধ্যমে সেই কাজকে আমরা তরান্বিত করতে পারি। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলেন, জমিয়তে উলামায়ে বাংলার গাইঘাটা, হাবরা, অশোকনগর, আমডাঙ্গা ও দেগঙ্গা থানা কমিটির পরিচালনায় বিশ্ব নবী দিবসের আয়োজন করা হয়।
এদিনের নবী দিবসে সহযোগিতা করেছে চড়ুইগাছি গ্রামবাসী বৃন্দ। তিনি জানান জেলার বিভিন্ন থানায় কর্মী সম্মেলন ও নবী দিবসে কর্মীদের উজ্জীবিত করার জন্য সকলকে আহবান করা হয়। কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা জানান, কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক আলহাজ্ব ডা. কবীর উদ্দিন আহমেদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা বাহাউদ্দিন, আলহাজ্ব মাওলানা মেকাইল সাহেব, শাইখুল হাদিস আলহাজ্ব মাওলানা জিয়াউল হক সাহেব, হাফেজ আব্দুল কুদ্দুস, হাফেজ আব্দুল কাদের সাহেব ছাড়াও হাবরা, দেগঙ্গা, শাসনসহ জেলার বিভিন্ন থানা কমিটির পদাধিকারী ব্যক্তিরা । আখেরি দোয়া করেন ফুরফুরা শরীফ থেকে আগত জমিয়তের যুগ্ম সম্পাদক পীর-জামাতা আলহাজ্ব মাওলানা আজমতুল্লাহ সিদ্দিকী সাহেব।
























