০৮ মার্চ ২০২৬, রবিবার, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোনও কোচিং ছাড়াই ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় শীর্ষে, সংখ্যালঘু কৃতী ছাত্রী সাদাফ চৌধুরী

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ ফের নারীশক্তি জয়। ২০২০ সালের ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় কৃতীত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হলেন সংখ্যালঘু পরীক্ষার্থী সাদাফ চৌধুরী। সর্বভারতীয় এই পরীক্ষায় তাঁর র‍্যাঙ্ক ২৩। উত্তরপ্রদেশের আমরোহা জেলার মেয়ে সাদাফ চৌধুরি ফের দেখিয়ে দিলেন ইচ্ছা ও মনের জোরে নারীরা সর্বক্ষেত্রেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম। কোনও কোচিং ছাড়াই এই কৃতীত্ব হাসিল করেছেন তিনি। মেয়ের এই সাফল্যে খুশি সাদাফের পরিবার। সাদাফের বাবা মহম্মদ ইসরার ব্যাংকের ম্যানেজার, মা শাহবাজ বানু গৃহবধূ।  

বরাবরই মেধাবী ছাত্রী হিসেবে একের পর এক সাফল্যের গণ্ডি পার করেছেন সাদাফ। ২০১০ সালের হাইস্কুলের পরীক্ষায় শীর্ষস্থান অর্জন করেন তিনি। ২০১২ সালে সিবিএসই পরীক্ষায় ৯১ শতাংশ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হন। এরপর সাদাফ জলন্ধরের ন্যাশনাল ইস্টিটিউট অফ টেকনলজি থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন। পরে ২০১৬ সালে আমেরিকান ব্যাংকে যোগদান করেন তিনি। এরপর ২০১৮ সালে তিনি চাকরি ছেড়ে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার জন্য কঠোর প্রস্তুতি শুরু করেন। দু’বছর কঠিন পরিশ্রমের পর সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বসেন সাদাফ। যেখানে সফলভাবে উত্তীর্ণ হন। সাদাফের পরিবার আগে জোয়ার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে তারা উত্তরাখণ্ডের রুড়কীতে থাকেন।

সর্বধিক পাঠিত

হরমুজ প্রণালী খোলা, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য নয় : ইরান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কোনও কোচিং ছাড়াই ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় শীর্ষে, সংখ্যালঘু কৃতী ছাত্রী সাদাফ চৌধুরী

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, শনিবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ ফের নারীশক্তি জয়। ২০২০ সালের ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় কৃতীত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হলেন সংখ্যালঘু পরীক্ষার্থী সাদাফ চৌধুরী। সর্বভারতীয় এই পরীক্ষায় তাঁর র‍্যাঙ্ক ২৩। উত্তরপ্রদেশের আমরোহা জেলার মেয়ে সাদাফ চৌধুরি ফের দেখিয়ে দিলেন ইচ্ছা ও মনের জোরে নারীরা সর্বক্ষেত্রেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম। কোনও কোচিং ছাড়াই এই কৃতীত্ব হাসিল করেছেন তিনি। মেয়ের এই সাফল্যে খুশি সাদাফের পরিবার। সাদাফের বাবা মহম্মদ ইসরার ব্যাংকের ম্যানেজার, মা শাহবাজ বানু গৃহবধূ।  

বরাবরই মেধাবী ছাত্রী হিসেবে একের পর এক সাফল্যের গণ্ডি পার করেছেন সাদাফ। ২০১০ সালের হাইস্কুলের পরীক্ষায় শীর্ষস্থান অর্জন করেন তিনি। ২০১২ সালে সিবিএসই পরীক্ষায় ৯১ শতাংশ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হন। এরপর সাদাফ জলন্ধরের ন্যাশনাল ইস্টিটিউট অফ টেকনলজি থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন। পরে ২০১৬ সালে আমেরিকান ব্যাংকে যোগদান করেন তিনি। এরপর ২০১৮ সালে তিনি চাকরি ছেড়ে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার জন্য কঠোর প্রস্তুতি শুরু করেন। দু’বছর কঠিন পরিশ্রমের পর সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বসেন সাদাফ। যেখানে সফলভাবে উত্তীর্ণ হন। সাদাফের পরিবার আগে জোয়ার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে তারা উত্তরাখণ্ডের রুড়কীতে থাকেন।