পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: একসঙ্গে ২২ জনের মৃত্যু। তার মধ্যে আবার ১৫ জনই শিশু। যাদের বয়স মাত্র ৮ মাস থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। সপ্তাহ শেষে ক্লান্তি ভুলতে মালাপ্পুরামে হাউসবোটে চড়তে গেছিলেন তাঁরা।
কিন্তু তারপর আর বাড়ি ফেরা হয়নি। ধারণক্ষমতার থেকে বেশি যাত্রীকে চড়ানো হয়েছিল ওই হাউসবোটে। এরপর সেটা উল্টে যায়। লাইফ জ্যাকেট না থাকায় ডুবে মৃত্যু হয় ২২ জনের। এবার এই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিতভাবে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করার সিদ্ধান্ত নিল কেরল হাইকোর্ট।আরও পড়ুন:
কেরল হাইকোর্টের বিচারপতি দেবন রামচন্দ্রণ এবং শোভা আন্নামা এপনের ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার বলেছে, এই দুর্ঘটনার পর আদালতের ‘হৃদয়ে রক্তক্ষরণ’ হয়েছে। বিচারপতিরা বলেন, দুর্ঘটনার ছবি দেখার পর থেকে তাঁদের রাতের ঘুম উড়ে গেছে। দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি কেরলের এই ঘটনাকে ‘বিস্ময়কর’ ও ‘ভয়াবহ’ বলে মন্তব্য করেছে ডিভিশন বেঞ্চ।
শুধু তাই নয়, এই দুঘর্টনা আসলে অপদার্থতা, লোভ ও প্রশাসনের উদাসীনতার ফল বলে মনে করছে আদালত। কেন যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা না ভেবে, নিয়ম ভেঙে হাউসবোট চালানো হয়েছিল, তাও খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বিচারপতিরা।আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, এই ঘটনার পর থেকে পলাতক হাউসবোটের চালক। তার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্যান্য কর্মীদেরও খুঁজছে পুলিশ।
এই মর্মান্তিক ঘটনার পর বিজয়ন সরকারের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে মামলা দায়ের করছে কেরল হাইকোর্ট। এভাবেই গুজরাতের মোরবির ঝুলন্ত সেতু বা দেশের অন্যান্য প্রান্তের দুঘর্টনার ক্ষেত্রেও আদালত নিজে থেকে পদক্ষেপ নিলে উপকৃত হতেন আরও অনেকে বলে মনে করছেন অনেকেই।