০১ ডিসেম্বর ২০২৫, সোমবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আযানের অনুমতি দিল দ. আফ্রিকার আদালত

ইমামা খাতুন
  • আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০২২, রবিবার
  • / 217

 পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ দক্ষিণ আফ্রিকার কোয়াজুলু নাটাল প্রদেশের ‘ইসিপিংগো তালিমুদ্দিন ইসলামিক ইনস্টিটিউটে’-র মাইকে আযান দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। ২৪ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই ঐতিহাসিক রায় দেয়। প্রায় ২ বছর আগে ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্থানীয় নাগরিক ইলাউরি গিরি চন্দ্র মসজিদের আযানকে ‘উচ্চমাত্রার শব্দ দূষণ’ উল্লেখ করে  মামলা করেন। তিনি বলেন, আযান তার স্বাভাবিক জীবনযাপনে বাধা সৃষ্টি করছে। মামলার দীর্ঘ শুনানির পর ঐতিহাসিক রায়ে জানানো হয়, তালিমুদ্দিন ইসলামিক সেন্টার মাইকে আযান দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার আইনের পরিপন্থী কোনও কাজ করছে না। এখন থেকে মাদ্রাসা ও মসজিদ কর্তৃপক্ষ উচ্চস্বরে মাইকে আযান দিতে পারবে। দক্ষিণ আফ্রিকান মুসলিম নেটওয়ার্কের চেয়ারপার্সন ড. ফয়সল সুলেমান বলেছেন, শীর্ষ আদালতের এ রায়ে সব ধর্মের বিজয় হয়েছে। ধর্মীয় স্বাধীনতার দেশ হল দক্ষিণ আফ্রিকা। এ দেশে সব ধর্মের মানুষ অবাধে তাদের ধর্মীয় রীতি-রেওয়াজ মেনে চলতে পারেন।’ আদালতের এমন রায়ে মুসল্লিরা সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছেন। মসজিদে পুনরায় আযান দেওয়ার অনুমতি মেলায় স্থানীয় মুসলিমরা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেছেন।

আরও পড়ুন: ‘সবার সুখ শান্তির জন্য দোয়া চাইলাম’, নামায শেষে বললেন ফিরহাদ

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আযানের অনুমতি দিল দ. আফ্রিকার আদালত

আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০২২, রবিবার

 পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ দক্ষিণ আফ্রিকার কোয়াজুলু নাটাল প্রদেশের ‘ইসিপিংগো তালিমুদ্দিন ইসলামিক ইনস্টিটিউটে’-র মাইকে আযান দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। ২৪ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই ঐতিহাসিক রায় দেয়। প্রায় ২ বছর আগে ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্থানীয় নাগরিক ইলাউরি গিরি চন্দ্র মসজিদের আযানকে ‘উচ্চমাত্রার শব্দ দূষণ’ উল্লেখ করে  মামলা করেন। তিনি বলেন, আযান তার স্বাভাবিক জীবনযাপনে বাধা সৃষ্টি করছে। মামলার দীর্ঘ শুনানির পর ঐতিহাসিক রায়ে জানানো হয়, তালিমুদ্দিন ইসলামিক সেন্টার মাইকে আযান দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার আইনের পরিপন্থী কোনও কাজ করছে না। এখন থেকে মাদ্রাসা ও মসজিদ কর্তৃপক্ষ উচ্চস্বরে মাইকে আযান দিতে পারবে। দক্ষিণ আফ্রিকান মুসলিম নেটওয়ার্কের চেয়ারপার্সন ড. ফয়সল সুলেমান বলেছেন, শীর্ষ আদালতের এ রায়ে সব ধর্মের বিজয় হয়েছে। ধর্মীয় স্বাধীনতার দেশ হল দক্ষিণ আফ্রিকা। এ দেশে সব ধর্মের মানুষ অবাধে তাদের ধর্মীয় রীতি-রেওয়াজ মেনে চলতে পারেন।’ আদালতের এমন রায়ে মুসল্লিরা সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছেন। মসজিদে পুনরায় আযান দেওয়ার অনুমতি মেলায় স্থানীয় মুসলিমরা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেছেন।

আরও পড়ুন: ‘সবার সুখ শান্তির জন্য দোয়া চাইলাম’, নামায শেষে বললেন ফিরহাদ