পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: বেঙ্গালুরুতে পিজি (পেইং গেস্ট) আবাসনে থাকা প্রযুক্তি কর্মীদের লক্ষ্য করে ল্যাপটপ চুরির বাড়তে থাকা প্রবণতার বিরুদ্ধে বড় সাফল্য পেল পুলিশ। ইলেকট্রনিক সিটি এলাকায় সক্রিয় একটি ল্যাপটপ চুরি চক্রের পর্দাফাঁস করে পুলিশ দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্তরা শহরের বিভিন্ন পিজি আবাসন থেকে একাধিক ল্যাপটপ চুরি করত বলে অভিযোগ। পুলিশি অভিযানে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা মূল্যের মোট ৪৮টি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ল্যাপটপগুলির বেশিরভাগই বিভিন্ন প্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত পেশাদারদের বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত মাসে ডোড্ডাথোগুরু এলাকার একটি পিজি আবাসনের বাসিন্দারা অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, রাতে দরজা খোলা থাকার সুযোগ নিয়ে চোরেরা পিজিতে ঢুকে তিনটি ল্যাপটপ চুরি করে পালায়। এর পর একই ধরনের একাধিক অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করলে তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তের সূত্র ধরে চুরির সূত্র গিয়ে পৌঁছয় তামিলনাড়ুতে। গত ১১ ডিসেম্বর তামিলনাড়ুর কাল্লাকুরিচি জেলা থেকে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বেঙ্গালুরুর আট্টিবেলি এলাকা থেকে তার এক সহযোগীকেও আটক করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ইচ্ছাকৃতভাবে পিজি এবং শেয়ার করা আবাসনগুলিকে টার্গেট করত, যেখানে প্রযুক্তি কর্মীরা থাকেন এবং অনেক সময় ঘরে ল্যাপটপ অসুরক্ষিত অবস্থায় রাখা থাকে। চুরি করা ল্যাপটপগুলি তামিলনাড়ুতে এবং বেঙ্গালুরুর মধ্যেই পরিচিতদের কাছে বিক্রি করা হত বলে অভিযোগ। পুলিশি তল্লাশিতে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে মজুত রাখা ল্যাপটপ এবং ইতিমধ্যে বিক্রি হয়ে যাওয়া কয়েকটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়। এর ফলে ইলেকট্রনিক সিটি থানার অধীনে ন’টি এবং বান্দেপাল্য থানার অধীনে একটি—মোট ১০টি চুরির মামলার রহস্যের সমাধান হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার হওয়া বাকি ল্যাপটপগুলির প্রকৃত মালিকদের খোঁজ চলছে। পাশাপাশি, প্রযুক্তি কর্মী এবং পিজি মালিকদের ঘর নিরাপদ রাখার পাশাপাশি মূল্যবান ইলেকট্রনিক সামগ্রী অযত্নে না রাখার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।





























