আবদুল ওদুদঃ ২০২৬ সালের পবিত্র হজ যাত্রা আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হতে চলেছে। এই উপলক্ষে সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য হজ কমিটির সদস্যদের নিয়ে একটি বিশেষ প্রস্তুতিমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। হজ যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই ছিল এই আলোচনার মূল আলোচ্য বিষয়।

বৈঠক শেষে হজ কমিটির চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান জানান, তাঁদের মূল লক্ষ্য হলো হজ যাত্রীরা যাতে কোনো রকম ভোগান্তি ছাড়াই বিমানবন্দর থেকে জেদ্দা বা মদিনা শরিফে পৌঁছাতে পারেন। যাত্রীদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদানের জন্য সমস্ত রকম প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ বছর শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ নয়, পার্শ্ববর্তী রাজ্য যেমন- ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, বিহার, আসাম, মণিপুর এবং ত্রিপুরা থেকেও হজ যাত্রীরা কলকাতা বিমানবন্দর ব্যবহার করবেন। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের যাতায়াত যাতে সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়,  সেদিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে রাজ্য হজ কমিটি। এই ব্যবস্থাপনার জন্য আরমান এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য হজ কমিটির সদস্যরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের প্রশংসা করে বলেন,  পশ্চিমবঙ্গের এই ধরনের সুপরিকল্পিত পরিকাঠামো অন্য অনেক রাজ্যে বিরল। এই রাজ্যে সারা বছর হজ যাত্রীদের সেবার জন্য কাজ করা হয় চলাকালীন প্রতিনিয়ত খবর রাখেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নেয় একাধিকবার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় সুষ্ঠুভাবে হজ পরিচালনার জন্য । মুখ্যমন্ত্রী নিজেই সমস্ত বিষয়টির খোঁজখবর নেন।

হজ কমিটির পক্ষ থেকে  হজযাত্রীদের আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়েছে। ভিড় এড়াতে এবং বিমানবন্দরের কাজ দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে তারা যেন কম সংখ্যায় বিমানবন্দরে আসেন। এতে হজ যাত্রীরাও মানসিক প্রশান্তি পাবেন এবং তাঁদের ইবাদত ও যাত্রা সহজতর হবে।

হজ যাত্রীদের সুস্থতা ও সফল যাত্রার জন্য কমিটির পক্ষ থেকে বিশেষ দোয়ার আবেদন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যেই স্বেচ্ছাসেবক থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে যাতে সুষ্ঠুভাবে হজ করে জানানো করা যায়, আর সেই লক্ষ্যেই রাজ্য হজ কমিটি এগিয়ে চলেছে। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, চেয়ারম্যান ছাড়াও হজ কমিটির সদস্য মাওলানা আবদুল হামিদ কাসেমী,  কুতুব উদ্দিন তরফদার, শাজাহান শেখ, মেহের আব্বাস রিজভী, পীরজাদা রাকিবুল আজিজ, হাজী কামরুল হুদা এ কে এম ফারহাদ প্রমুখ।