আরও পড়ুন:
পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: নিয়ম মেনে গ্রেফতারি হয়নি। আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের প্রাক্তন ম্যানেজিং ডিরেক্টর তথা সিইও চন্দা কোচর তাঁর স্বামী দীপক কোচরকে অবিলম্বে মুক্তির নির্দেশ দিল বম্বে হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন:
অভিযোগ চন্দা কোচরকে জেরার সময়ে কোন মহিলা পুলিশ বা সিবিআইয়ের কোন মহিলা আধিকারিক সেখানে ছিলেননা। অন্যদিকে দীপক কোচরের আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছেন, ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ধারা ৪১এ-এর অধীনে দেওয়া নোটিশ অনুযায়ী কোচর দম্পতি সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হয়েছিলেন।
তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন। তাই এইভাবে তাঁদের গ্রেফতার করা উচিৎ হয়নি।আরও পড়ুন:
এর আগে আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের মোট ৩ হাজার ২৫০ কোটি টাকার ঋণ প্রতারণা কান্ডে এই দুজনকে গ্রেফতার করে সিবিআই।অভিযোগ ভিডিওকনকে নিয়মবহির্ভূত ভাবে ঋণ পাইয়ে দেন এই দম্পতি।
নিজেদের গ্রেফতারিকে অবৈ্ধ চ্যালেঞ্জ করে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন কোচর দম্পতি।আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য ২০১৯ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির অধীনে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র সম্পর্কিত একাধিক ধারায় চন্দা কোচর, তাঁর স্বামী দীপক কোচর,, বেণুগোপাল ধুতের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে সিবিআই। এই এফআইআর -এ সুপ্রিম এনার্জি, ভিডিওকন ইন্টারন্যাশনাল ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড, ভিডিওকোন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং নুপাওয়ার রেনেওয়াবলস কোম্পানির নামও ছিল।
আরও পড়ুন:
সিবিআইয়ের অভিযোগ, আইসিআইসিআই ব্যাংকের সিইও থাকাকালীন ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যাক্ট, আরবিআই নির্দেশিকা এবং ব্যাংকের ক্রেডিট নীতি লংঘন করে ইলেকট্রনিক্স এবং তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান সংস্থা ভিডিওকন গ্রুপের অধীনে থাকা কোম্পানিগুলিকে ৩,২৫০ কোটি টাকার ঋণ পাইয়ে দিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন:
২০১৮ সালে চন্দা কোছরের এই দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে বরখাস্ত করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ৩ দশকেরও বেশি সময় ধরে এই ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন চন্দা।
আরও পড়ুন: