কল্যান মন্ডলঃ ভোটের ফল ঘোষণার পরই উত্তপ্ত হয়ে উঠল ভাঙড়, ক্যানিং ও সোনারপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা। বিপুল ভোটে জয়ী আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী কর্মী-সমর্থকদের শান্ত থাকার বার্তা দিলেও মাটিতে তার প্রতিফলন মিলছে না বলেই অভিযোগ। কমিশনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বিভিন্ন জায়গায় বিজয় উল্লাস ঘিরে অশান্তির খবর সামনে আসছে।
আরও পড়ুন:
অভিযোগ, ভাঙড় ও ক্যানিং পূর্বে একাধিক তৃণমূল কার্যালয় দখল, ভাঙচুর করা হয়েছে। দলীয় পতাকা নামিয়ে বিজেপি ও আইএসএফের পতাকা তোলার ঘটনাও ঘটেছে বিভিন্ন এলাকায়।
জীবনতলায় শওকত মোল্লার ঘনিষ্ঠ এলাকায় তাঁর দলীয় কার্যালয় দখলের অভিযোগ উঠেছে। যদিও এই বিষয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া মেলেনি। মঙ্গলবার সকালে ভাঙড়ের নিমকুড়িয়া গ্রামে তৃণমূল সমর্থক এক পরিবারের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। বাড়িতে ঢুকে মারধর ও ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি একাধিক সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি। চন্দনেশ্বর, বেওতা, শাঁকশহর-সহ বিভিন্ন এলাকাতেও তৃণমূলের ঘরবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, হাতিশালা, কুলবেড়িয়া, পাকাপোল-সহ নিউ টাউন লাগোয়া এলাকায় তৃণমূলের একাধিক কার্যালয় দখলের অভিযোগ আইএসএফের বিরুদ্ধে। যদিও আইএসএফ নেতৃত্বের দাবি, এগুলি অবৈধ দখল করা জায়গা ছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একাধিক জায়গায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কাঁঠালিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভাঙচুরের চেষ্টা হলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি সামাল দেয়।
আরও পড়ুন:
এদিকে সোনারপুর-নরেন্দ্রপুরে অটো, ট্যাক্সি ও টোটো ইউনিয়নের দখল নিয়েছে বিজেপি। এতদিন তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণে থাকা এই সংগঠনগুলি হাতবদল হওয়ায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। সবমিলিয়ে ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিতে উত্তেজনার পারদ চড়ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক এলাকায়।