পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ বিপুল সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে বঙ্গে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। আর তারপরেই বিধানসভা থেকে শুরু করে হাইকোর্টে বেশ কিছু পরিবর্তনের ছবি দেখা গেল। আজ মঙ্গলবার বিধানসভা থেকে বেশকিছু নথি ও জিনিসপত্র নিয়ে বেরিয়ে যান বিদায়ী স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, এদিনই রাজ্যের অ্যাডভকেট জেনারেল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কিশোর দত্ত। 

এদিন বিধানসভা থেকে বেরিয়ে বিমান জানান, নির্বাচনী ময়দানে হার জিত আছেই।

উল্লেখ্য, ভোটে জয়ী হয়েছেন বিমান। তিনি জানান, স্পিকার হিসেবে না হলেও বিধায়ক হিসেবে তিনি বিধান্সভায় যাবেন। এদিন তাঁকে বিদায় দিতে বিধানসভার আধিকারিকরাও দেখা করেন। তিনি সকলের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন। এরপর নিজের দপ্তরে গিয়ে কিছু ছনি ও জিনিসপত্র নিয়ে বের হয়ে যান।
প্রসঙ্গত, গোটা রাজ্যে কার্যত ধরাশয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তিনি ২০১১ সালে বিধায়ক হিসবে নির্বাচিত হয়ে আসার পরেই তাঁকে স্পিকার করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর ২০১৬ সালে ও ২০২১ সালেও তিনি জয়ী হওয়ার পর এই পদে ছিলেন। এবারও বারুইপুর পশ্চিম আসন থেকে তাঁকে টিকিট দিয়েছিল দল। সেই আসনে তিনি জয়ী হয়েছেন।
 

অন্যদিকে, হাইকোর্টেও এদিন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল পদ থেকে ইস্তফা দেন কিশোর দত্ত। নিয়ম অনুযায়ী তিনি রাজ্যপাল আর এন রবির কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেন। সাধারনত নিয়ম অনুযায়ী, সরকার কাউকে এজি করতে চাইলে রাজ্যপালের কাছে নামের সুপারিশ করতে হয়। সেই মতো রাজ্যপাল এজি নিয়োগ করেন। কিশোর দত্তের আগে এই পদে ছিলেন সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। তিনি ২০২৩ সালের নভেম্বরে এজির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। আর এবার পালাবদল হতেই নিয়ম মেনে ইস্তফাপত্র জমা দিলেন কিশোর দত্ত।