পুবের কলম, বোলপুর: ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বীরভূমের নানুর। মঙ্গলবার নানুরের সন্তোষপুরে তৃণমূলের এক বুথ সভাপতিকে নৃশংসভাবে গলা কেটে খুন করার অভিযোগ উঠল বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় আরও এক তৃণমূল কর্মী গুরুতর আহত হয়ে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর থেকেই এলাকা জুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আরও পড়ুন:
নিহত তৃণমূল নেতার নাম আবির শেখ। তিনি সন্তোষপুর এলাকায় তৃণমূলের বুথ সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রের খবর, মঙ্গলবার তাঁর ওপর চড়াও হয় একদল দুষ্কৃতী। অভিযোগ, ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর গলা কেটে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। এই একই হামলায় আরও এক তৃণমূল কর্মী রক্তাক্ত হন, যাঁর অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। হামলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই নানুরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।আরও পড়ুন:
তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপির আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এলাকায় তাণ্ডব চালাচ্ছে।
বহু তৃণমূল কর্মীর ঘরবাড়ি এবং দলীয় কার্যালয়েও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। নানুরের তৃণমূল বিধায়ক বিধানচন্দ্র মাজি এই ঘটনায় সরাসরি বিজেপিকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, "বিজেপির লোকেরা চারিদিকে তাণ্ডব চালাচ্ছে। আমাদের বুথ সভাপতির গলা কেটে দেওয়া হয়েছে। আরও একজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।"আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, এদিনই শান্তিনিকেতনে স্টেট ব্যাঙ্কের সামনে আক্রান্ত হন তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র জামশেদ আলি খান। অভিযোগ, গেরুয়া উত্তরীয় পরা একদল যুবক তাঁকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপি কর্মীরাই এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে। যদিও তৃণমূলের তোলা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। তাদের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনো যোগ নেই। এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।