৩০ নভেম্বর ২০২৫, রবিবার, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মৃত ব্যক্তির দেখা মিলল মোমোর দোকানে, বাড়িতে সম্পন্ন শেষকৃত্য  

ইমামা খাতুন
  • আপডেট : ১৪ জুন ২০২৩, বুধবার
  • / 138

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: বহু মাস ধরে নিখোঁজ। তাঁকে আর ফিরে পাওয়ার কোনও আশা ছিল না। পরিবারের ধারণা আর বেঁচে নেয় তাঁদের প্রাণপ্রিয় সন্তান। কিন্তু সবাইকে অবাক করে আবির্ভাব ঘটল তাঁর। দেখা গেল, খাবার দোকানে বসে মোমো খাচ্ছেন তিনি! শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও এটাই সত্যি। ঘটনাটি ঘটেছে নয়ডায়।

জানা গিয়েছে, চলতি বছর ৩১ জানুয়ারি সুলতানগঞ্জের গনগনিয়া গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হন নিশান্ত। তাঁর বাবা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে অভিযোগ তোলেন নিশান্তের শ্বশুর ও শ্যালকের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ, তাঁরাই নিশান্তকে অপহরণ করেছেন। এই ঘটনার পর মাসের পর মাস কেটে গেলেও যুবকের খোঁজ মেলেনি রাজ্যে। এমনকী চরম হেনস্থার শিকার হন নিশান্তের শ্যালক রবিশঙ্কর।

সম্প্রতি নয়ডায় একটি মোমোর দোকানে খেতে যান রবিশঙ্কর। সেখানে গিয়ে দেখেন, এক ভিক্ষুককে তাড়িয়ে দিচ্ছেন দোকানদার। দৃশ্যটি দেখে মায়া জাগে রবির। তখনই মোমো কিনে খেতে দেন ভিক্ষুককে। খানিকক্ষণ তাকিয়ে থাকার পর বুঝতে পারেন, ভিক্ষুক আসলে নিশান্ত। তড়িঘড়ি করে তাঁকে নয়ডা পুলিশের কাছে নিয়ে যান।

এরপর বিহার পুলিশের কাছে নিশান্তকে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে, আদৌ অপহরণ করা হয়েছিল কি না। তবে নিশান্তকে খুঁজে পাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে রবিশঙ্করের। এই ঘটনায় শেষমেশ তিনি সুবিচার পাবেন বলেই আশাবাদী।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মৃত ব্যক্তির দেখা মিলল মোমোর দোকানে, বাড়িতে সম্পন্ন শেষকৃত্য  

আপডেট : ১৪ জুন ২০২৩, বুধবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: বহু মাস ধরে নিখোঁজ। তাঁকে আর ফিরে পাওয়ার কোনও আশা ছিল না। পরিবারের ধারণা আর বেঁচে নেয় তাঁদের প্রাণপ্রিয় সন্তান। কিন্তু সবাইকে অবাক করে আবির্ভাব ঘটল তাঁর। দেখা গেল, খাবার দোকানে বসে মোমো খাচ্ছেন তিনি! শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও এটাই সত্যি। ঘটনাটি ঘটেছে নয়ডায়।

জানা গিয়েছে, চলতি বছর ৩১ জানুয়ারি সুলতানগঞ্জের গনগনিয়া গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হন নিশান্ত। তাঁর বাবা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে অভিযোগ তোলেন নিশান্তের শ্বশুর ও শ্যালকের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ, তাঁরাই নিশান্তকে অপহরণ করেছেন। এই ঘটনার পর মাসের পর মাস কেটে গেলেও যুবকের খোঁজ মেলেনি রাজ্যে। এমনকী চরম হেনস্থার শিকার হন নিশান্তের শ্যালক রবিশঙ্কর।

সম্প্রতি নয়ডায় একটি মোমোর দোকানে খেতে যান রবিশঙ্কর। সেখানে গিয়ে দেখেন, এক ভিক্ষুককে তাড়িয়ে দিচ্ছেন দোকানদার। দৃশ্যটি দেখে মায়া জাগে রবির। তখনই মোমো কিনে খেতে দেন ভিক্ষুককে। খানিকক্ষণ তাকিয়ে থাকার পর বুঝতে পারেন, ভিক্ষুক আসলে নিশান্ত। তড়িঘড়ি করে তাঁকে নয়ডা পুলিশের কাছে নিয়ে যান।

এরপর বিহার পুলিশের কাছে নিশান্তকে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে, আদৌ অপহরণ করা হয়েছিল কি না। তবে নিশান্তকে খুঁজে পাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে রবিশঙ্করের। এই ঘটনায় শেষমেশ তিনি সুবিচার পাবেন বলেই আশাবাদী।