পশ্চিমবঙ্গে ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার  জ্ঞানেশ কুমার। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়া অশান্তির প্রেক্ষিতে তিনি সংশ্লিষ্ট সব প্রশাসনিক কর্তাদের দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর শীর্ষ আধিকারিকদের সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও স্থানীয় পুলিশ আধিকারিকদেরও নজরদারি জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফলপ্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা সামনে আসছে। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে। সুকান্ত মজুমদার সহ বিজেপির একাধিক নেতা এই ঘটনাগুলির তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, “যেই দোষী হোক, দলের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাকেও বরখাস্ত করা হবে।

এছাড়াও শুভেন্দু অধিকারীও একাধিকবার শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তবুও অশান্তি থামছে না বলে অভিযোগ। মঙ্গলবারই ভোট-পরবর্তী হিংসায় চারজনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।

তবে এই হিংসার নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। বিজেপির একাংশের দাবি, যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তারা ‘নব্য বিজেপি’—ফলপ্রকাশের পর রাতারাতি দলে যোগ দিয়ে বদনাম করার চেষ্টা করছে। আবার অন্য একাংশের অভিযোগ, এটি তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল।