পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: মণিপুরে দুই মহিলাকে ‘নগ্ন’ করে হাঁটানোর ভিডিয়ো ঘিরে উত্তাল হয়েছে গোটা দেশ। দু’মাস আগের ঘটনা হলেও রাজ্যে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকায় ঘুণাক্ষরে টের পায়নি আম জনতা। কিন্তু মহিলাদের গণধর্ষণ, বিবস্ত্র করে হাঁটানোর ঘটনার  খবর নাকি আগে থেকেই জানতো জাতীয় মহিলা কমিশন। আর খুব চতুরতার সঙ্গেই এই ঘটনা এড়িয়ে  গেছে তারা বলেই অভিযোগ এনেছে একাংশ। আর সেই নিয়ে ফের একবার বিতর্ক বেঁধেছে বুদ্ধিজীবী মহলে।

উল্লেখ্য, ঘটনাটা গত ৪ মে ঘটলেও চলতি সপ্তাহের বুধবার সেটা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, বিবস্ত্র অবস্থায় হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া  হচ্ছে দুই মহিলাকে। অভিযোগ, গণধর্ষণেরও শিকার তাঁরা। যা নিয়ে নতুন করে চড়েছে রাজনৈতিক পারদ।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, গত ১২ জুন জাতীয় মহিলা কমিশনের কাছে লিখিত ভাবে এই ঘটনার অভিযোগ জানানো হয়েছিল।
সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়া প্রতিবেদনে ওই অভিযোগপত্রের একটি প্রতিলিপিও প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে পুর্ণাঙ্গ ঘটনার বিবরণ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। সব কিছু জানার পরেও কেন নিশ্চুপ ছিল তারা ? উঠছে প্রশ্ন।

যদিও এই কথা স্বীকার করে নেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা।
ডামেজ কন্ট্রোলে নেমে তিনি বলেন, মণিপুরের বিজেপি সরকারই এর জন্য দায়ী।

জানান, গত তিন মাসে আমরা তিনবার মণিপুর সরকারের কাছে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কোনও জবাব পাওয়া যায়নি। এদিন তিনি আরও বলেন, মণিপুর থেকে অনেক মিথ্যে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রেই অভিযোগ কারীরা মণিপুরের ছিলেনই না।

বাংলায় 'পান থেকে চুন খসলে' তেড়েফুঁড়ে পৌঁছে যায় জাতীয় মহিলা কমিশন। সে ক্ষেত্রে মণিপুরে এহেন বর্বরোচিত ঘটনা জেনেও কেন নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন তারা...... উঠছে প্রশ্ন।