পুবের কলম,ওয়েবডেস্কঃ বন্ধুর প্রেমিকার সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ায় আদিবাসী যুবকের মুখে প্রস্রাব ৮ বন্ধুর। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছে ৬ জন। মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা। তার খোঁজে চলছে তল্লাশি। ঘটনাটি ঘটেছে অন্ধ্রপ্রদেশের প্রকাশম জেলার ওঙ্গোলে। আর ফের একবার আদিবাসী যুবকের মুখে প্রস্রাবের ঘটনায় আলোড়ন ফেলেছে দেশ জুড়ে।

পুলিশ সূত্রে খবর, একই মেয়ের প্রেমে পড়েছিল দুই বাল্য বন্ধু নবীন এবং রামাঞ্জানেউলু। মেয়েটি প্রথম থেকেই রামাঞ্জানেউলুর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত ছিল। কিন্তু পরে নবীনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পরে। একটা সময় পালিয়ে গিয়ে একত্রে বসবাস করতে শুরু করে নবীনও মেয়েটি। ঘটনার সময় নাবালক ছিল উভয়েই। সেই সময় নাভিনের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির অধীনে পকসো মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
এমনকি বেশ কয়েকদিন রিমান্ডে রাখা হয়েছিল  তাঁকে। কিন্তু তার পরেও মেয়েটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন নবীন। আর এই সম্পর্ক কোনও ভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না রামাঞ্জানেউলু।

মেয়েটিকে কেন্দ্র করে নবীন আর রামাঞ্জানেউলুর দীর্ঘদিনের সম্পর্কে ফাটল ধরে। কিন্তু উভয়ের মধ্যে ফের বন্ধুত্বের সম্পর্ক ঠিক করার লক্ষে এদিন নবীনকে ফোন করে ঘটনাস্থলে ডাকেন রামাঞ্জানেউলু। এদিন তাঁর সঙ্গে আরও বেশ কয়েক বলেই জানা গেছে।
সকলেই মদ্যপ ছিল।

পুলিশ আরও বলেন, ১৯ জুন, নাবীনকে মান্নাম রামাঞ্জনেয়্যুলু এবং  আরও আটজন মারধর ও প্রস্রাব করে। এই আটজনের মধ্যে দুজন কিশোর ছিল।

আক্রমণের পরে, নবীন স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে পুলিশি জেরায় সংশ্লিষ্ট ঘটনা স্বীকার করে নবীন। এমনকি ঘটনার ভিডয়ো রয়েছে বলেও জানান তিনি।

নবীন আদিবাসী সম্প্রদায়ের অন্তর্গত হওয়ায় এদিন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এসসি/এসটি নৃশংসতা মামলা দায়ের হয়েছে। এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত জাতিগত পক্ষপাতমূলক মামলা ছিল না কারণ তারা সবাই বন্ধু ছিল বলেও মন্তব্য করেন জেলা পুলিশ সুপার মল্লিকা গর্গ।