আরও পড়ুন:
কর্ণাটকের মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গে ও কংগ্রেস নেতা বি. কে. হরিপ্রসাদ বুধবার আরএসএস-এর অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের অভিযোগ, সংস্থাটি ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেকে নিবন্ধনবিহীন রাখে, যাতে সরকারি আইন ও নিয়ম এড়িয়ে চলা যায়।
আরও পড়ুন:
প্রিয়াঙ্ক খাড়গে বলেন, “আমার সামনে আরএসএস-এর রেজিস্ট্রেশনের কাগজ দেখান, তাহলে সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।” তিনি প্রশ্ন তোলেন, “এই নিবন্ধনবিহীন সংগঠনের টাকা আসে কোথা থেকে?
পোশাক তৈরি, মিছিল, বাদ্যযন্ত্র কেনা, ভবন নির্মাণ,এসবের খরচ চলছে কীভাবে?”আরও পড়ুন:
মন্ত্রী আরও বলেন, “নিবন্ধিত হলে ট্যাক্স দিতে হয়, কোম্পানি আইন, এনজিও আইন মেনে চলতে হয়, অনুদানের উৎস জানাতে হয়। তাই তারা ইচ্ছে করেই রেজিস্ট্রেশন করে না।”
আরও পড়ুন:
একই সুরে হরিপ্রসাদ বলেন, “আরএসএস আইনগত ও জনসমালোচনা এড়াতে রেজিস্ট্রেশন করেনি।
নির্বাচনী কমিশনে কংগ্রেস ও বিজেপি দু’টিই নিবন্ধিত, কিন্তু আরএসএস কোথায় নিবন্ধিত?”আরও পড়ুন:
তিনি অভিযোগ করেন, “বিজয়াদশমীতে ‘গুরু দক্ষিণা’ নামে যে অর্থ সংগ্রহ হয়, তার হিসেব এক শতাব্দীতেও দেয়নি আরএসএস। ৭০০ কোটি টাকায় ভবন তৈরি হয়েছে, এই টাকা এল কোথা থেকে? কালো টাকা নয় তো?”
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে বিজেপি নেতা সি. এন. অশ্বথ নারায়ণ বলেন, “সব সংগঠনের নিবন্ধন প্রয়োজন হয় না। আরএসএস সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক কাজে নিবেদিত একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।”