ইরানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র তাদের দূরপাল্লার নিখুঁত নিশানাভেদী ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় পুরো মজুত ব্যবহার করে ফেলেছে বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স ও সিবিএস নিউজ। এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর মার্কিন সামরিক সক্ষমতা ও অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এমন দাবি সম্পূর্ণভাবে নাকচ করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন।
আরও পড়ুন:
রয়টার্স তিনটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (ATACMS) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (PrSM)-এর বৈশ্বিক মজুতের প্রায় সবটাই ব্যবহার করেছে। একই ধরনের তথ্য প্রকাশ করেছে সিবিএস নিউজও।
তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সংরক্ষিত যুক্তরাষ্ট্রের এসব দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে।আরও পড়ুন:
তবে এসব দাবিকে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে পেন্টাগন। সংস্থাটির প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল সিবিএস নিউজকে বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী এখনও যুক্তরাষ্ট্রেরই। প্রেসিডেন্টের নির্দেশ অনুযায়ী বিশ্বের যেকোনো স্থানে প্রয়োজনীয় সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে।
আরও পড়ুন:
এর আগে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও অস্ত্র ও গোলাবারুদের ঘাটতি নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি ও যুদ্ধক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।