মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধ নয়, কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই ইরানের সঙ্গে চলমান সংকটের সমাধান চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, তাঁর লক্ষ্য সামরিক সংঘাত নয়, বরং একটি কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছানো।
আরও পড়ুন:
ট্রাম্প বলেন, “আমি মানুষ হত্যা করতে চাই না। আমি একটি চুক্তি করতে চাই।
” তাঁর মতে, যুদ্ধ শুরু হলে তা শুধু ইরানের নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যের জন্যই ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনতে পারে। তাই সামরিক অভিযানের পরিবর্তে আলোচনার পথকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।আরও পড়ুন:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার এবং ইরানের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও মধ্যস্থতার উদ্যোগের পর সম্ভাব্য সামরিক অভিযান আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। বর্তমানে পরোক্ষভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন:
সম্ভাব্য চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালির অবাধ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত বা নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন। যদিও তিনি আলোচনার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করেননি।
আরও পড়ুন:
তবে কূটনৈতিক উদ্যোগের পাশাপাশি ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো সময় সামরিক পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে। তাঁর ভাষায়, শান্তিপূর্ণ সমাধানই প্রথম পছন্দ, কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র সব ধরনের বিকল্প খোলা রাখবে।
আরও পড়ুন:
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা, হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে অনিশ্চয়তা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চলমান আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই ট্রাম্পের এই মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।