পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: ভোটকুশলী হিসেবে সফল হলেও রাজনীতিক হিসেবে সাফল্য এতদিন অধরাই ছিল প্রশান্ত কিশোরের (পিকে)। তবে প্রথমবার সরাসরি নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেই বড় চমক দিলেন তিনি। বিহারের পাটনা লাগোয়া বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে সাড়ে ১২ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তাঁর গঠিত দল জনসুরাজ পার্টির (জেএসপি) এই প্রতিষ্ঠাতা। ২১ রাউন্ড গণনার শেষে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বিজেপি এবং বেশ কিছুটা পিছিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আরজেডি। এই কেন্দ্রে মোট ৩১ রাউন্ড ভোট গণনা হবে।
আরও পড়ুন:
বাঁকিপুর আসনটি রাজনৈতিক মহলে বিজেপির একটি দুর্ভেদ্য ঘাঁটি হিসেবেই পরিচিত। ২০১০ সাল থেকে টানা চারবার এই কেন্দ্র থেকে জিতেছেন বিজেপির বর্তমান সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। ২০২৫ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও তিনি ৬২ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হন। কিন্তু সম্প্রতি তিনি রাজ্যসভায় নির্বাচিত হওয়ায় এই আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে। প্রথমে এই কেন্দ্রে বিজেপি অভিষেক কুমারকে প্রার্থী করেছিল।
কিন্তু দলের অন্দরে স্বজনপোষণের অভিযোগ ওঠায় পরে নীরজ কুমার সিন্হাকে প্রার্থী করা হয়। ২০২৫ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পিকের দল কোনও আসন না পেলেও, এই উপনির্বাচনে বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে খোদ পিকের প্রার্থী হওয়া এবং তাঁর এই বিপুল লিড যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।আরও পড়ুন:
বাঁকিপুরের পাশাপাশি গত বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রদেশের দতিয়া এবং গুজরাতের মঞ্জলপুর কেন্দ্রেও উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১০ রাউন্ড গণনার পর দতিয়াতে ১০ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী ঘনশ্যাম সিংহ। প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে এই কেন্দ্রে বিজেপির অন্দরে ক্ষোভ ছিল। অন্যদিকে, গুজরাতের মঞ্জলপুরে ১৬ রাউন্ড গণনার পর কংগ্রেস প্রার্থীকে ২৫ হাজারেরও বেশি বিশাল ব্যবধানে পিছনে ফেলে জয়ের পথে ক্রমশ এগিয়ে চলেছেন বিজেপি প্রার্থী সত্যেন্দ্রভাই পটেল।