পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের বাবার সম্পত্তির উৎস নিয়ে এবার প্রশ্ন উঠল। একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী হয়ে তিনি কীভাবে ছেলের বিদেশে পড়াশোনার বিপুল খরচ জোগালেন, তা জানতে চেয়ে আরটিআই দায়ের করেছেন সুরতের সমাজকর্মী অমিত তিওয়ারি। মহারাষ্ট্র সরকারের প্রাক্তন কর্মী ভগবানরাও দীপকের আয়ের উৎস নিয়ে বিস্তারিত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, অভিজিৎ আমেরিকার বস্টনে পড়াশোনা করতেন এবং গত জুনের শুরুতে দেশে ফেরেন।

এর পাশাপাশি, নির্বাচন কমিশনের কাছেও সিজেপি-র আইনি বৈধতা এবং তাদের তহবিল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ওই সমাজকর্মী। ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ২৯এ ধারায় দলটি নথিভুক্ত কি না, তা তিনি জানতে চেয়েছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক দল হিসেবে আইনি স্বীকৃতি না থাকলেও দলটি সেভাবেই কাজ করছে। তাই অনুদানের রসিদগুলি নির্বাচন কমিশনের খতিয়ে দেখা উচিত।

নিট দুর্নীতির প্রতিবাদে সিজেপি-র যে সদস্যরা গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাঁদের আইনি সাহায্যের জন্য এক কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন কংগ্রেস সাংসদ তথা আইনজীবী কপিল সিব্বল। এই বিপুল পরিমাণ টাকার উপর ১৮ শতাংশ জিএসটি বসানো উচিত কি না, তা খতিয়ে দেখার জন্য কেন্দ্রীয় জিএসটি কর্তৃপক্ষের কাছেও আবেদন জানিয়েছেন অমিত তিওয়ারি।

এদিকে, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও কেন্দ্র ও সিজেপি-র মধ্যে দ্বন্দ্ব অব্যাহত রয়েছে। কেন্দ্র জানিয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে আগে থেকে অপরাধের মামলা রয়েছে, তারা এই ছাড় পাবে না। তবে সিজেপি এই শর্ত মানতে নারাজ এবং দাবি না মানলে তারা ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এই টানাপোড়েনের মাঝেই আইনি সহায়তার জন্য জমা পড়া অনুদানের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ওই আরটিআই কর্মী।