উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়: রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রুখতে বড় মাপের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বর্ষার মরশুমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সবজির ফলন মার খাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে বাজারদর বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় এবং কালোবাজারি রুখতে রবিবার সকালে বারুইপুর কাছারি বাজারে যৌথ অভিযান চালালো বারুইপুর পুলিশ জেলার এনফোর্স ডিপার্টমেন্ট ও বারুইপুর থানার পুলিশ। এই অভিযানে পুলিশের পাশাপাশি বিডিও অফিসের প্রতিনিধি এবং বারুইপুর পুরসভার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
মূলত বাজারদর নিয়ন্ত্রণ করাই ছিল এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, বারুইপুর বাজারের বিভিন্ন দোকানে ঘুরে এনফোর্স ডিপার্টমেন্টের সদস্যরা খুচরো এবং পাইকারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। তাঁদের পরামর্শ দেওয়া হয় যে, বাজারে অহেতুক বেশি দামে সবজি বিক্রি করা যাবে না। বর্তমানে পেঁয়াজ, আলু, আদা ও ডিমের দাম অস্বাভাবিকভাবে চড়া বলে অভিযোগ উঠেছে এবং অনেক ব্যবসায়ী নিজেদের ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন বলে সাধারণ মানুষের অভিযোগ।
এই বাজারদর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে একাধিক ব্যবসায়ীকে পুলিশের তরফে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।আরও পড়ুন:
ব্যবসায়ীদের স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, দোকানে অবশ্যই প্রতিদিনের বাজারদরের একটি নির্দিষ্ট তালিকা টাঙিয়ে রাখতে হবে। নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি টাকা নেওয়া হলে পুলিশ যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। শুধু বারুইপুর নয়, শহরের একাধিক বাজারে এই ধরনের অভিযান চালানো হয়েছে বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে। বিভিন্ন বাজারে গিয়ে এনফোর্স ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকরা নিয়মিত বাজারদর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এই বিশেষ অভিযান আপাতত জারি থাকবে।