২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিজেপি কর্মী খুনে ৩ পুলিশের জেল হেফাজত

পুবের কলম প্রতিবেদক: ২০২১ সালে কাঁকুড়গাছির বিজেপিকর্মী অভিজিৎ সরকার খুন হয়। সেই মামলায় কলকাতা পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত এসি (তৎকালীন ওসি নারকেলডাঙা ) শুভজিৎ সেন এবং ‘খুনে সাহায্যকারী’ সুজাতা দের জামিন খারিজ। তারপর ৩১ জুলাই পর্যন্ত সবার জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। শুক্রবার এই মামলায় তৎকালীন এসআই রত্না সরকার এবং হোমগার্ড দীপঙ্কর দেবনাথকেও জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

এই মামলার শুনানিপর্বে শুক্রবার বিচারক মন্তব্য করেন, ‘রক্ষকই ভক্ষক হয়ে গেলে সমাজের কী হবে।’ ওই মামলার তদন্তকারী অফিসার (আইও)-কে না জানিয়ে ওই পুলিশকর্তা নিহত অভিজিতের মায়ের সঙ্গে কেন সাক্ষাৎ করেছিলেন, সে প্রশ্নও তোলেন বিচারক।

প্রসঙ্গত, আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। এই মামলায় পুলিশ প্রথমে ১৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছিল। পরে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে প্রথম অতিরিক্ত চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই। তাতে মোট ২০ জন অভিযুক্তের নাম ছিল, যাদের মধ্যে ১৫ জনের নাম পুলিশের জমা দেওয়া চার্জশিটেও ছিল। এই বছরের ২ জুলাই দ্বিতীয় অতিরিক্ত চার্জশিট জমা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সেখানে অভিযুক্তের তালিকায় নাম রয়েছে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পাল, কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ (বস্তি) স্বপন সমাদ্দার এবং ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পাপিয়া ঘোষের। এছাড়াও বহু প্রভাবশালীর নাম আছে অতিরিক্ত চার্জশিটে।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

প্রয়াত মুকুল রায়

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিজেপি কর্মী খুনে ৩ পুলিশের জেল হেফাজত

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২৫, শুক্রবার

পুবের কলম প্রতিবেদক: ২০২১ সালে কাঁকুড়গাছির বিজেপিকর্মী অভিজিৎ সরকার খুন হয়। সেই মামলায় কলকাতা পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত এসি (তৎকালীন ওসি নারকেলডাঙা ) শুভজিৎ সেন এবং ‘খুনে সাহায্যকারী’ সুজাতা দের জামিন খারিজ। তারপর ৩১ জুলাই পর্যন্ত সবার জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। শুক্রবার এই মামলায় তৎকালীন এসআই রত্না সরকার এবং হোমগার্ড দীপঙ্কর দেবনাথকেও জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

এই মামলার শুনানিপর্বে শুক্রবার বিচারক মন্তব্য করেন, ‘রক্ষকই ভক্ষক হয়ে গেলে সমাজের কী হবে।’ ওই মামলার তদন্তকারী অফিসার (আইও)-কে না জানিয়ে ওই পুলিশকর্তা নিহত অভিজিতের মায়ের সঙ্গে কেন সাক্ষাৎ করেছিলেন, সে প্রশ্নও তোলেন বিচারক।

প্রসঙ্গত, আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। এই মামলায় পুলিশ প্রথমে ১৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছিল। পরে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে প্রথম অতিরিক্ত চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই। তাতে মোট ২০ জন অভিযুক্তের নাম ছিল, যাদের মধ্যে ১৫ জনের নাম পুলিশের জমা দেওয়া চার্জশিটেও ছিল। এই বছরের ২ জুলাই দ্বিতীয় অতিরিক্ত চার্জশিট জমা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সেখানে অভিযুক্তের তালিকায় নাম রয়েছে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পাল, কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ (বস্তি) স্বপন সমাদ্দার এবং ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পাপিয়া ঘোষের। এছাড়াও বহু প্রভাবশালীর নাম আছে অতিরিক্ত চার্জশিটে।