২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তীব্র দাবদাহ, কিভাবে মোকাবিলা করবেন… জানাচ্ছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক

তীব্র দাবদাহ, কিভাবে মোকাবিলা করবেন... জানাচ্ছেন বিশিষ্ট চিকিৎসকরোদের দাপট বেড়েই চলেছে। কোনও কিছুতে হাত দিলেই ছ্যাঁকা লাগার মতো অনুভূতি। এর মধ্যে হিট স্ট্রোকে মারা যাওয়ার দুর্ঘটনার খবরও আসছে মাঝে মধ্যেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও এমন বহু মানুষ আছেন, যাদের ঘরে বসে থাকার উপায় নেই। এই ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় বাইরে ঘুরতে হচ্ছে, ভিড় বাসে-ট্রেনে যাতায়াত করতে হচ্ছে। জীবন বাঁচাতে জীবিকা বাঁচাতেই হবে। তাই কীভাবে মোকাবিলা করবেন এই পরিস্থিতির? জানাচ্ছেন কমিউনিটি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. শ্যামল বেরা।

তীব্র দাবদাহ, কিভাবে মোকাবিলা করবেন... জানাচ্ছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক

  • বাইরে বেরনোর সময় সুতির ঢিলেঢালা পোশাক পরুন।
  • মাথায় ছাতা বা টুপি ব্যবহার করুন।
  • চোখে থাকুক সানগ্লাস।
  • বাইক চালানোর সময় যতটা সম্ভব মুখ ঢেকে রাখুন। একটানা অনেকক্ষণ বাইক চালাবেন না।
  • একটু ছায়ায় বিশ্রাম নিয়ে আবার গন্তব্যে যাত্রা শুরু করুন।
  • ঘর থেকে বাইরে বেরনোর সময় অবশ্যই জল সঙ্গে নিয়ে নেবেন। ছায়ায় বিশ্রাম নিয়ে একটু জল খেয়ে ফের এগোবেন
  • রোদে বেরনোর অন্তত আধঘন্টা আগে সানস্ক্রিন লোশন মেখে নিতে হবে।
  • প্রখর রোদ এড়াতে অফিসে একটু আগেভাগেই পৌঁছে যান।
  • কাজ শেষ হয়ে গেলেও ভর দুপুরে না বেরিয়ে রোদ একটু পড়লে তারপর বেরবেন।
  • বয়স্ক ব্যক্তিরা বাজারে গেলে খুব সকালে যাবেন। রোদ ওঠার আগে ঘরে ফিরে আসবেন।
  • বাইরের কাটা ফল, ফুচকা, শরবত একদম খাবেন না।
  • বাড়িতে থাকলেও সুতির ঢিলেঢালা হালকা পোশাক পরবেন। বেশি করে জল খাবেন।
  • ঘর ঠান্ডা রাখতে পর্দা ও খশখশ ব্যবহার করুন।
  • সহ্য হলে দিনে ২-৩ বার স্নান করা যেতে পারে।
  • বাড়িতে এয়ার কন্ডিশন চালালে তাপমাত্রা ২৬-২৮ ডিগ্রি রাখতে হবে। কারণ ঘরের ও বাইরের তাপমাত্রার হেরফের হলে
  • অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।
  • শিশুরা অনেকেই জল খেতে চায় না। এই সময়ে কিন্তু তাদের বারবার জল খাওয়াতে হবে। জল খেতে না চাইলে ফলের রস, ডালের জল ইত্যাদি খাওয়াতে হবে।
  • বাচ্চাদের একদম রোদে খেলতে দেওয়া যাবে না। ছায়ায় বা সূর্যাস্তের পর খেলাধুলো করতে পারে।
  • ছোট, বড় সবার খাবারই হালকা সহজপাচ্য খাবার খেতে হবে।
  • এ সময়ে নিমন্ত্রণ বাড়ি যতটা সম্ভব এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। গেলেও খাবার বুঝে খান। কখনওই একসঙ্গে মিষ্টি দই মাংস একসঙ্গে খাবেন না।
  • কার্বোহাড্রেট ও ফ্যাট জাতীয় খাবার কম খেয়ে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া যেতে পারে।
  • হার্ট কিডনি কিংবা ডায়াবেটিস থাকলে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। এ ধরনের অসুস্থতা থাকলে রোদ থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকতে হবে।
  • যাদের নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়, তারা তা বাদ দেবেন না।
  • হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়লে ডাক্তারের সঙ্গে তাড়াতাড়ি যোগাযোগ করতে হবে।
  • কারও হিট স্ট্রোক হলে জামাকাপড় আলগা করে দিন। ভেজা কাপড় দিয়ে গা-হাত-পা মুছে দিন। জোরে ফ্যান চালিয়ে দিনআর যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যান।
  • জ্ঞান হারালে মুখে জল কিংবা ওআরএস খাওয়াবেন না।
  • বাড়িতে পোষ্য থাকলে তাদেরও এ সময়ে বেশি করে জল খাওয়াবেন।
সর্বধিক পাঠিত

বেপরোয়া ট্রাকের ধাক্কায় টহল ভ্যান দুমড়ে মুচড়ে ৫ পুলিশকর্মীর মৃত্যু; আশঙ্কাজনক ২

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

তীব্র দাবদাহ, কিভাবে মোকাবিলা করবেন… জানাচ্ছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক

আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০২২, শনিবার

তীব্র দাবদাহ, কিভাবে মোকাবিলা করবেন... জানাচ্ছেন বিশিষ্ট চিকিৎসকরোদের দাপট বেড়েই চলেছে। কোনও কিছুতে হাত দিলেই ছ্যাঁকা লাগার মতো অনুভূতি। এর মধ্যে হিট স্ট্রোকে মারা যাওয়ার দুর্ঘটনার খবরও আসছে মাঝে মধ্যেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও এমন বহু মানুষ আছেন, যাদের ঘরে বসে থাকার উপায় নেই। এই ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় বাইরে ঘুরতে হচ্ছে, ভিড় বাসে-ট্রেনে যাতায়াত করতে হচ্ছে। জীবন বাঁচাতে জীবিকা বাঁচাতেই হবে। তাই কীভাবে মোকাবিলা করবেন এই পরিস্থিতির? জানাচ্ছেন কমিউনিটি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. শ্যামল বেরা।

তীব্র দাবদাহ, কিভাবে মোকাবিলা করবেন... জানাচ্ছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক

  • বাইরে বেরনোর সময় সুতির ঢিলেঢালা পোশাক পরুন।
  • মাথায় ছাতা বা টুপি ব্যবহার করুন।
  • চোখে থাকুক সানগ্লাস।
  • বাইক চালানোর সময় যতটা সম্ভব মুখ ঢেকে রাখুন। একটানা অনেকক্ষণ বাইক চালাবেন না।
  • একটু ছায়ায় বিশ্রাম নিয়ে আবার গন্তব্যে যাত্রা শুরু করুন।
  • ঘর থেকে বাইরে বেরনোর সময় অবশ্যই জল সঙ্গে নিয়ে নেবেন। ছায়ায় বিশ্রাম নিয়ে একটু জল খেয়ে ফের এগোবেন
  • রোদে বেরনোর অন্তত আধঘন্টা আগে সানস্ক্রিন লোশন মেখে নিতে হবে।
  • প্রখর রোদ এড়াতে অফিসে একটু আগেভাগেই পৌঁছে যান।
  • কাজ শেষ হয়ে গেলেও ভর দুপুরে না বেরিয়ে রোদ একটু পড়লে তারপর বেরবেন।
  • বয়স্ক ব্যক্তিরা বাজারে গেলে খুব সকালে যাবেন। রোদ ওঠার আগে ঘরে ফিরে আসবেন।
  • বাইরের কাটা ফল, ফুচকা, শরবত একদম খাবেন না।
  • বাড়িতে থাকলেও সুতির ঢিলেঢালা হালকা পোশাক পরবেন। বেশি করে জল খাবেন।
  • ঘর ঠান্ডা রাখতে পর্দা ও খশখশ ব্যবহার করুন।
  • সহ্য হলে দিনে ২-৩ বার স্নান করা যেতে পারে।
  • বাড়িতে এয়ার কন্ডিশন চালালে তাপমাত্রা ২৬-২৮ ডিগ্রি রাখতে হবে। কারণ ঘরের ও বাইরের তাপমাত্রার হেরফের হলে
  • অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।
  • শিশুরা অনেকেই জল খেতে চায় না। এই সময়ে কিন্তু তাদের বারবার জল খাওয়াতে হবে। জল খেতে না চাইলে ফলের রস, ডালের জল ইত্যাদি খাওয়াতে হবে।
  • বাচ্চাদের একদম রোদে খেলতে দেওয়া যাবে না। ছায়ায় বা সূর্যাস্তের পর খেলাধুলো করতে পারে।
  • ছোট, বড় সবার খাবারই হালকা সহজপাচ্য খাবার খেতে হবে।
  • এ সময়ে নিমন্ত্রণ বাড়ি যতটা সম্ভব এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। গেলেও খাবার বুঝে খান। কখনওই একসঙ্গে মিষ্টি দই মাংস একসঙ্গে খাবেন না।
  • কার্বোহাড্রেট ও ফ্যাট জাতীয় খাবার কম খেয়ে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া যেতে পারে।
  • হার্ট কিডনি কিংবা ডায়াবেটিস থাকলে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। এ ধরনের অসুস্থতা থাকলে রোদ থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকতে হবে।
  • যাদের নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়, তারা তা বাদ দেবেন না।
  • হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়লে ডাক্তারের সঙ্গে তাড়াতাড়ি যোগাযোগ করতে হবে।
  • কারও হিট স্ট্রোক হলে জামাকাপড় আলগা করে দিন। ভেজা কাপড় দিয়ে গা-হাত-পা মুছে দিন। জোরে ফ্যান চালিয়ে দিনআর যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যান।
  • জ্ঞান হারালে মুখে জল কিংবা ওআরএস খাওয়াবেন না।
  • বাড়িতে পোষ্য থাকলে তাদেরও এ সময়ে বেশি করে জল খাওয়াবেন।