১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফের বিপত্তি বিধানসভায়, রেহাই পেলেন বিধায়করা

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: একদিন পরেই ফের দুর্ঘটনা বিধানসভায়। গেটের কাছে চাঙড় ভেঙে পড়ে বিপত্তি। সূত্রের খবর, এদিন দুপুর নাগাদ বিধানসভায় প্রবেশের মূল গেটের বাঁ দিকের চাঙড় ভেঙে পড়ে। সে সময় সেখান দিয়ে বিধায়করা বেরোচ্ছিলেন। কিন্তু সৌভাগ্যবশত কারও কোনও আঘাত লাগেনি বা অন্য কোনও সমস্যাও হয়নি বলে বিধানসভা সূত্রে খবর। নিরাপত্তারক্ষীরাই তাঁদের নিরাপদে বের করে আনতে সাহায্য করেছেন।

সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার দুপুরে বিধানসভা অধিবেশন শেষের পর মূল গেট দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন বিধায়করা। সেসময়ই তার একটু পাশের দিকে আচমকা চাঙড় ভেঙে পড়ে। খসে পড়ে টুকরো। কিন্তু এটি মূল প্রবেশদ্বার হওয়ায় এখানে বরাবরই নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো থাকে, থাকেন নিরাপত্তারক্ষীরাও। তাঁরাই বিধায়কদের নিরাপদে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করেন। ফলে বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবে বড়ো দুর্ঘটনার সম্ভাবনা ছিল।

মঙ্গলবারও বিধানসভা অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বে বিধান পরিষদের প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক চলছিল। সেই সময় অধিবেশন কক্ষ থেকে ৫০-৬০ মিটার দূরে আগুনের ফুলকি দেখা যায়। স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘর থেকে খানিকটা এগিয়ে রয়েছে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ঘর। তার পাশেই মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের ঘর। বিধানসভা ভবনে চলতি বছরই সংস্কারের কাজে হাত দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

নরেন্দ্র মোদি যাচ্ছেন না, তারেক রহমানের শপথে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন লোকসভার স্পিকার

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ফের বিপত্তি বিধানসভায়, রেহাই পেলেন বিধায়করা

আপডেট : ৮ জুলাই ২০২১, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: একদিন পরেই ফের দুর্ঘটনা বিধানসভায়। গেটের কাছে চাঙড় ভেঙে পড়ে বিপত্তি। সূত্রের খবর, এদিন দুপুর নাগাদ বিধানসভায় প্রবেশের মূল গেটের বাঁ দিকের চাঙড় ভেঙে পড়ে। সে সময় সেখান দিয়ে বিধায়করা বেরোচ্ছিলেন। কিন্তু সৌভাগ্যবশত কারও কোনও আঘাত লাগেনি বা অন্য কোনও সমস্যাও হয়নি বলে বিধানসভা সূত্রে খবর। নিরাপত্তারক্ষীরাই তাঁদের নিরাপদে বের করে আনতে সাহায্য করেছেন।

সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার দুপুরে বিধানসভা অধিবেশন শেষের পর মূল গেট দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন বিধায়করা। সেসময়ই তার একটু পাশের দিকে আচমকা চাঙড় ভেঙে পড়ে। খসে পড়ে টুকরো। কিন্তু এটি মূল প্রবেশদ্বার হওয়ায় এখানে বরাবরই নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো থাকে, থাকেন নিরাপত্তারক্ষীরাও। তাঁরাই বিধায়কদের নিরাপদে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করেন। ফলে বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবে বড়ো দুর্ঘটনার সম্ভাবনা ছিল।

মঙ্গলবারও বিধানসভা অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বে বিধান পরিষদের প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক চলছিল। সেই সময় অধিবেশন কক্ষ থেকে ৫০-৬০ মিটার দূরে আগুনের ফুলকি দেখা যায়। স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘর থেকে খানিকটা এগিয়ে রয়েছে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ঘর। তার পাশেই মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের ঘর। বিধানসভা ভবনে চলতি বছরই সংস্কারের কাজে হাত দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।