পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: সোমবার সকালে রাজ্য বিধানসভার শৌচালয় থেকে এক কর্মীর মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। মৃত ব্যক্তির নাম উমেশচন্দ্র দাস (৬২)। তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে বিধানসভার ক্যান্টিনের দায়িত্বে থাকা একটি ঠিকাদার সংস্থার হয়ে কাজ করতেন। তিলজলার বাসিন্দা হলেও তিনি বিধানসভার ক্যান্টিনেই থাকতেন এবং রাতে সেখানেই ঘুমোতেন।

খবর পেয়ে হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
জানা গিয়েছে, এদিন সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ উমেশচন্দ্র শৌচালয়ে যান। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ কেটে যাওয়ার পরও তিনি বেরিয়ে না আসায় অন্য কর্মীরা সেখানে যান। তাঁরা দেখেন দরজা ভিতর থেকে বন্ধ।
বারবার ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া না মেলায় শেষমেশ তাঁরা দরজা ভেঙে ফেলেন এবং বাথরুমের মেঝেতে উমেশচন্দ্রের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। সঙ্গে সঙ্গে বিধানসভার সচিব এবং মার্শাল দেবব্রত মুখোপাধ্যায়কে বিষয়টি জানানো হয়। খবর দেওয়া হয় হেয়ার স্ট্রিট থানাতেও।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বয়সজনিত কারণে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই উমেশচন্দ্রের মৃত্যু হয়েছে।
তাঁর শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিতভাবে জানা যাবে। প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষাও করা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে। গোটা বিষয়টি বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুকে জানানো হয়েছে এবং তিনি সব দিক খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। আপাতত দেহটি যে শৌচালয় থেকে উদ্ধার হয়েছে, সেই জায়গাটি ঘিরে রেখেছে পুলিশ। বর্তমানে বিধানসভায় কোনও অধিবেশন না চলায় এই ঘটনার জেরে স্বাভাবিক কাজকর্মে বড় কোনও বিঘ্ন ঘটেনি।