পুবে কলম, ওয়েবডেস্ক: রাজ্যে করোনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অতি ভারী বৃষ্টি থেকে ভারী বৃষ্টির দাপট। জলবন্দি একাধিক রাজ্য। কয়েকদিন আগেই দিল্লিতে যমুনার জল বিপদসীমার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার সতর্কতা জারি করেছিল ভারতীয় আবহাওয়া দফতর আইএমডি। এবার ফের জলস্ফীতি গঙ্গা-যমুনায়।

উত্তরপ্রদেশে বন্যায় কমপক্ষে ২১টি জেলার ৩৫৭টি গ্রাম জলের তলায়। বন্যায় প্লাবিত বিস্তীর্ণ এলাকা। আশেপাশে গ্রামগুলিও বানভাসি হওয়ার আশঙ্কা। চরম দুর্দশায় যোগীরাজ্যে।

বানভাসি উত্তরপ্রদেশের ২১টি জেলার ৩৫৭টি গ্রাম, বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে গঙ্গা-যমুনার জল

বন্যার কারণে বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা। ৯৩টি জেলার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত। বন্যায় সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে হামিরপুর ও জালুন জেলা। গোন্ডা জেলায়, রবিবার ঘাঘরা নদীর জলস্তর বৃদ্ধির পর একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভেসে গেছে।

পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আজ আকাশপথে পরিদর্শন করবেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

বানভাসি উত্তরপ্রদেশের ২১টি জেলার ৩৫৭টি গ্রাম, বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে গঙ্গা-যমুনার জল

রাজ্যের পূর্বাঞ্চলের গাজীপুর এবং বালিয়া তিনটি জেলায় গঙ্গা বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্ষার শুরু থেকেই জলমগ্ন হয়ে পড়েছিল উত্তর প্রদেশের বুন্দেলখণ্ড অঞ্চল। প্রতিবছর স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টি হলেও এইবছর অতিরিক্ত বৃষ্টির জেরে কমপক্ষে পাঁচটি জায়গায় যমুনা নদী বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে। একই হাল গঙ্গারও।  সরকারি আধিকারিকদের বন্যা পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।