২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৮২ নম্বরে থাকা কুরাসাওকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে সেই ঐতিহাসিক ৭-১ জয়ের স্মৃতিই যেন ফিরিয়ে আনলেন জামাল মুসিয়ালারা।
আরও পড়ুন:
শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল জার্মানদের হাতে। ষষ্ঠ মিনিটে ফেলিক্স এনমেচার বাঁক খাওয়ানো শটে এগিয়ে যায় জার্মানি।
তবে ২১ মিনিটে দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে লিভানো কোমেনসিয়ার গোলে সমতা ফেরায় কুরাসাও। কিছু সময়ের জন্য চমকের ইঙ্গিত মিললেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।আরও পড়ুন:
৩৮ মিনিটে কর্নার থেকে নিকো শ্লোটারবেকের হেডে ফের এগিয়ে যায় জার্মানি। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ান কাই হাভার্টজ।
বিরতিতে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ইউরোপের দলটি।আরও পড়ুন:
দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন জার্মান ফুটবলাররা। ৪৭ মিনিটে গোল করেন দলের অন্যতম তারকা জামাল মুসিয়ালা। এরপর ৬৮ ও ৭৮ মিনিটে যথাক্রমে নাথানিয়েল ব্রাউন এবং ডেনিজ উন্ডাভ জালে বল জড়ান।
শেষ দিকে আরও একটি গোল যোগ করে ৭-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে জার্মানি।আরও পড়ুন:
ম্যাচের পরিসংখ্যানও জার্মান আধিপত্যের সাক্ষী। বল দখলে তাদের ছিল ৬৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ, যেখানে কুরাসাওয়ের দখল ছিল ৩৫ শতাংশ। জার্মানরা মোট ৫৯৯টি পাস খেলেছে, বিপরীতে কুরাসাওয়ের পাস সংখ্যা ছিল ২৮৯।
তবে সাত গোল হজম করলেও কুরাসাওয়ের গোলরক্ষক এলোই রুম একাধিক নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে ব্যবধান আরও বড় হওয়া থেকে দলকে রক্ষা করেন।
আরও পড়ুন:
বিশ্বকাপের শুরুতেই দুরন্ত জয় পেলেও জার্মানির আসল পরীক্ষা এখনও বাকি। প্রথম ম্যাচের এই আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে তারা গত দুই বিশ্বকাপের হতাশা কাটিয়ে কতদূর যেতে পারে, এখন সেটাই দেখার।