পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার সঙ্গেই নজিরবিহীন কড়াকড়ির পথে হাঁটল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বাংলা-সহ ভোটমুখী পাঁচ রাজ্যেই অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে এবার ‘ওয়ান বুথ, ওয়ান অবজারভার’ না হলেও, ‘ওয়ান বিধানসভা, ওয়ান অবজারভার’ ফর্মুলায় সিলমোহর দিল কমিশন। অর্থাৎ, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য অন্তত একজন করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বা অবজারভার নিয়োগ করা হচ্ছে। সোমবার ভোট বিজ্ঞপ্তি জারির দিনই কমিশন স্পষ্ট করে দিল, এবারের লড়াই হবে কড়া নজরদারিতে। সূত্রের খবর, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভোটমুখী ৫টি রাজ্যেই একঝাঁক কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক পাঠানো হচ্ছে। কমিশনের নতুন ফর্মুলা অনুযায়ী, রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে চূড়ান্ত নজরদারির দায়িত্বে থাকবেন অন্ততপক্ষে একজন করে পর্যবেক্ষক।
এই বিশাল কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য দেশজুড়ে মোট ১,৪৪৪ জন অভিজ্ঞ আমলাকে বেছে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই অফিসারদের তালিকায় রয়েছেন আইএএস, আইপিএস এবং আইআরএস পদমর্যাদার আধিকারিকরা। দিল্লিতে ইতিমধ্যেই তাঁদের বিশেষ প্রশিক্ষণ বা ট্রেনিং শুরু হয়েছে। এই পর্যবেক্ষকরা সরাসরি কমিশনের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের ওপর নির্ভর না করে সরাসরি দিল্লিতে রিপোর্ট পাঠাবেন।
এবারের নির্বাচনে কমিশনের নজরদারি কেবল ভোটগ্রহণের দিনেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরুর প্রথম দিন থেকেই এই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা ময়দানে থাকবেন। মনোনয়ন জমা দেওয়া থেকে শুরু করে স্ক্রুটিনি এবং নাম প্রত্যাহারের প্রতিটি ধাপে পর্যবেক্ষকদের সরাসরি উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যেই মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়ার যে অভিযোগ ওঠে, তা ঠেকাতেই কমিশনের এই আগাম সতর্কতা।




























