দুবাই, ২৩ মার্চ: বহু মানুষকে ইসলাম গ্রহণে অনুপ্রাণিত করে থাকে পবিত্র রমযান মাস। এ বছর রমযানের প্রথম তিন দিনে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন আট ফিলিপিনো নারী। ইসলাম গ্রহণের পর এক নারী জানান, ইসলাম গ্রহণের পর মনে হচ্ছে তিনি পূর্ণ স্বাধীনতা পেয়েছেন। দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিস বিভাগ (আইএসিএডি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ইসলাম গ্রহণ করা ৮ নারীর মধ্যে একজন ক্যামিলা। তার জ্ঞানার্জনের গল্প বাকিদের থেকে আলাদা। ২০১৪ সালে আমিরশাহীতে আসার পর ক্যামিলা রমযানের সময় দাতব্য ও সামাজিক কাজে যুক্ত হতেন।
আরও পড়ুন:
একটি সফটওয়্যার কোম্পানি, মিডিয়া ও ইভেন্ট ফার্ম পরিচালনা করেন ক্যামিলা। তিনি বলেন, ‘এটি আমার কৌতূহল এবং দুঃসাহসিক মনোভাব ছিল, যা আমাকে ইসলাম গ্রহণ করতে উৎসাহিত করেছে।’ ক্যামিলা বলেন, ‘আমি ইসলামের ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে উঠি। এই ধর্মের সবকিছু আমাকে মুগ্ধ করে।’ ২০১৬ সালে ওমান সফরের সময় ইসলামকে আরও ভালোভাবে জানার সুযোগ পানে ইমান। এ ছাড়া তার বাবাও একজন মুসলিম। ইমান বলেন, ‘নামাযের সময় আমি মুসলিমদের একাগ্রতা ও নিষ্ঠা উপলব্ধি করতে পারি।
আরও পড়ুন:
যখন আযান দেয়, মুসলিমরা সবকিছু ফেলে নামাযের জন্য ছুটে যান। তাদের বিশ্বাস অত্যন্ত মজবুত। এই কারণেই আমি ইসলাম নিয়ে আগ্রহী হয়ে উঠি। আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমি নিজেকে মুক্ত অনুভব করছি। আমি এখন চারপাশে আলো দেখতে পাচ্ছি।’ ইসলাম গ্রহণ করা আরেক নারী উইলফি।
তিনি জানান, দুবাইয়ে একটি স্যালনে ম্যানেজারের চাকরি করতেন তিনি। ২০১৯ সালে ইসলাম নিয়ে আগ্রহী হয়ে ওঠেন।আরও পড়ুন:
তাঁর কথায়, ‘সউদি আরবে যখন কাজ করতাম তখন লক্ষ্য করতাম আযান হলেই সব মুসলিমরা সাড়া দেয়। এক ঈশ্বরের প্রতি তাদের এই আনুগত্য আমাকে মুগ্ধ করেছে।’ একটা সময় ইসলাম গ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেন উইলফি। তাকে দেখে আরও বেশ কয়েকজন কর্মীও ইসলাম নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। উইলফির সঙ্গে ইসলাম গ্রহণ করেন রাফায়েলা সুবা, জেনিফার ফর্টিন, মারিয়ানা মানজানো, তেরেসিটা দাদলাম, জোসেফাইন জামিলা ও রিনালিন দিনসে। উইলফি বলেন, ‘আমি প্রথমবার রোযা রাখছি। আমার একটুও কষ্ট হচ্ছে না। আল্লাহ আমাদের জন্য সবকিছু সহজ করে দিয়েছেন।’
আরও পড়ুন: