পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ প্রাকটিসে এক্কেবারে নিষেধাজ্ঞা জারি না করলেও মেডিসিনে চলবে নজরদারি। কোয়াক বা গ্রামীণ স্বাস্থ্য সহায়কদের উদ্দেশ্যে এ কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তিনি জানান, আগের সরকারের মতো তাঁদের আর প্রাধান্য দেওয়া হবে না। তবে রাতারাতি এই ব্যবস্থা তুলে দেওয়াও সম্ভব নয়। বরং তাঁরা যাতে অন্যায্য চিকিৎসা না করেন, তা নিশ্চিত করতে চায় স্বাস্থ্য দফতর।
স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কথায়, ‘ওঁদের বিলোপ করে দেওয়া হবে, তেমনটা নয়। সেটা সম্ভবও নয়। কারণ, গোটা দেশের গ্রামাঞ্চলের একটা বড় অংশে ওঁরা পরিষেবা দেন। তবে কোয়াকদের একটা বড় অংশের মধ্যে ‘ম্যালপ্র্যাকটিস’-এর প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘কথায় কথায় অ্যান্টিবায়োটিক এবং অন্যায্য ওষুধ লেখার প্রবণতা বন্ধ করাই আমার লক্ষ্য।’ গ্রামীণ স্বাস্থ্য সহায়কদের সংগঠনগুলিও নিয়ন্ত্রণ ও প্রশিক্ষণের পক্ষে সওয়াল করেছে।আরও পড়ুন:
পশ্চিমবঙ্গ পল্লি চিকিৎসক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অরুণকান্তি ঘোষের দাবি, বর্তমানে নার্সিং কলেজগুলিতে যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় তা যথেষ্ট নয়। তাঁর কথায়, ‘উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে আমাদের সীমাবদ্ধতা নির্দিষ্ট করা দরকার। এবং সরকারি ভাবে কাজের অনুমতি প্রদান করা হোক।’ স্বাস্থ্য মহলের একাংশের মতে, গ্রামীণ স্বাস্থ্য সহায়কদের সম্পূর্ণ সরিয়ে দেওয়ার বদলে তাঁদের কাজের পরিধি নির্দিষ্ট করে কার্যকর নজরদারির আওতায় আনা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
আরও পড়ুন:
প্রোগ্রেসিভ রুরাল মেডিক্যাল প্র্যাক্টিশনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সভাপতি দিলীপকুমার পান জানান, ‘আমরাও চাই সরকারের নির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি থাকুক পাশাপাশি প্রয়োজন সঠিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক গ্রামীণ স্বাস্থ্য সহায়কদের জন্য।