পুবের কলম ডেস্ক: সোমবার শহরে ঝেপে বৃষ্টি শুরু হয়েছে দুপুর থেকেই। টানা বর্ষণে কলকাতার একাধিক এলাকায় জল জমে গিয়েছে। রাস্তার উপর হাঁটু সমান জল দাঁড়িয়ে যাওয়ায় যান চলাচলেও প্রভাব পড়েছে। অফিসফেরত মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী কয়েক ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে।
আরও পড়ুন:
কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোথাও কোথাও ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। পাশাপাশি বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া-সহ কয়েকটি জেলায় কমলা সতর্কতাও জারি রয়েছে। সেখানে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আবহাওয়াবিদদের মতে, ঝাড়খণ্ড ও বিহারের উপর থাকা নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে।
সেই ঘূর্ণাবর্ত থেকে বিস্তৃত নিম্নচাপ অক্ষরেখা গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এই আবহাওয়াগত পরিস্থিতির জেরেই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২১ জুলাই থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টির দাপট বাড়বে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া-সহ কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যান্য জেলাতেও দফায় দফায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে ধীরে ধীরে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। মঙ্গলবার থেকে মূলত জলপাইগুড়ি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সপ্তাহের শেষ দিকে উত্তরবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় বৃষ্টির দাপট আরও কমতে পারে। কলকাতায় আগামী দু’দিন আকাশ মেঘলা থাকবে। দফায় দফায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় শহরে ৩১.৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পরামর্শ, বজ্রবিদ্যুৎ ও ঝোড়ো হাওয়ার সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাইরে না বেরোনোই নিরাপদ।