পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: আমেরিকা যদি ইরানের মাটিতে পা রাখে বা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপ দখলের চেষ্টা করে, তবে মার্কিন সেনাদের চরম পরিণতি ভোগ করতে হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক অভিযানের ইঙ্গিতের পর এবার কড়া ভাষায় আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দিল ইরান। ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, খার্গ এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় মার্কিন অনুপ্রবেশ ঘটলে কড়া জবাব দেওয়া হবে। তিনি স্পষ্ট দাবি করেছেন, আমেরিকার একজন সেনাও সেখান থেকে জীবিত অবস্থায় ফিরতে পারবে না।

সম্প্রতি একটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, ইরানের অর্থনীতিকে সম্পূর্ণ পঙ্গু করে দিতে খার্গ দ্বীপে সেনা নামানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে আমেরিকা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই সেনাবাহিনীকে এই সংক্রান্ত ব্লুপ্রিন্ট প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছেন। পারস্য উপসাগরে বুশেহর উপকূল থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই দ্বীপটি মূলত ইরানের বৃহত্তম তেল রপ্তানি কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই আমেরিকা ইরানের বিভিন্ন জল শোধনাগার, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতুতে হামলা চালাতে শুরু করেছে।

এবার খার্গ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারলে তেহরানকে বাগে আনা অনেক সহজ হবে বলে মনে করছে মার্কিন প্রশাসন।

এসবের মাঝেই সোমবার ওমানের উপকূলে একটি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই হামলার নেপথ্যে ইরানেরই হাত রয়েছে। হামলার কারণে জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। তবে আশপাশে থাকা অন্যান্য নৌকার তৎপরতায় আক্রান্ত জাহাজের নাবিকদের নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, নাবিকদের উদ্ধার করা গেলেও জাহাজের আগুন এখনও নেভানো সম্ভব হয়নি এবং সেটি সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় রয়েছে।