পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: তামিলনাড়ুতে দুর্নীতি রুখতে কড়া অবস্থান গ্রহণ করল জোসেফ বিজয়ের নেতৃত্বাধীন সরকার। বেআইনি আর্থিক লেনদেনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে চেন্নাইয়ের সাতজন সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার পাশাপাশি শুরু হয়েছে কড়া বিভাগীয় তদন্ত।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে উত্তর ও মধ্য চেন্নাইয়ের জোন-৬ এবং জোন-৯-এর বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায় প্রশাসন। সেই অভিযানে বিপুল পরিমাণ হিসাব-বহির্ভূত নগদ টাকার পাশাপাশি একাধিক সন্দেহজনক ডিজিটাল লেনদেনের প্রমাণ মেলে।
তদন্ত চলাকালীন এক ইঞ্জিনিয়ারের গুগল পে বা 'জিপে' অ্যাকাউন্টে দুই লক্ষ ঊনচল্লিশ হাজার (২.৩৯ লক্ষ) টাকার সন্দেহজনক ডিজিটাল লেনদেনের খোঁজ পান তদন্তকারীরা। এই বিপুল পরিমাণ টাকার উৎস সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি কোনও সন্তোষজনক উত্তর দিতে ব্যর্থ হন।তামিলনাড়ুর ভিজিল্যান্স এবং দুর্নীতি দমন শাখার পেশ করা রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই কড়া পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন। অভিযুক্তদের বরখাস্ত করার পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক মামলা রুজু করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, জোসেফ বিজয়ের সরকার দুর্নীতি দমনে যে কতটা তৎপর, তার প্রমাণ মিলেছে সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক পদক্ষেপে।
কিছুদিন আগেই ভুয়ো বিল তৈরি এবং ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ছয়জন সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। শুধু প্রশাসন নয়, দলের অন্দরেও দুর্নীতি বরদাস্ত করা হচ্ছে না। সম্প্রতি ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ায় বিজয়ের দলেরই এক পঞ্চায়েত নেতাকে দল থেকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার করা হয়।আরও পড়ুন:
রাজ্য থেকে দুর্নীতি সমূলে উৎপাটন করতে এবার সাধারণ নাগরিকদেরও এই প্রক্রিয়ায় শামিল করেছে তামিলনাড়ু সরকার। প্রশাসনের তরফে একটি বিশেষ হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর চালু করা হয়েছে। এই নম্বরে রাজ্যের যে কোনও নাগরিক উপযুক্ত তথ্য ও প্রমাণ-সহ দুর্নীতির অভিযোগ সরাসরি সরকারের কাছে জানাতে পারবেন।