রাঁচি, ১৫ মার্চ: হোলি উৎসবকে ঘিরে হিংসা ছড়াল ঝাড়খণ্ডে। শুক্রবার হোলি উদযাপনের সময় দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তে রুপ নেয় সংঘর্ষের। যানবাহন ও স্থানীয় দোকানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাকে ঘিরে জেলাজুড়ে ব্যাপক আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন গিরিডির ঘোড়থম্ভা চক এলাকা দিয়ে হোলি উৎসবকে কেন্দ্র করে একটি মিছিল যাচ্ছিল। এলাকার একটি সরু রাস্তা দিয়ে মিছিল যাওয়ার সময় বচসা বাঁধে। এরপরই সাম্প্রদায়িক হিংসা ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘন্টাখানেক ধরে সংঘর্ষ চলে। অগ্নিসংযোগ ঘটিয়ে দোকান ও গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। যদিও ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেয়।আরও পড়ুন:
গিরিডির পুলিশ সুপার বিমল কুমার এক সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, “হিংসায় জড়িত কিছু দুষ্কৃতীকে চিহ্নিত করেছি আমরা। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ব্যাপক পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
কোনও গুরুতর আহত ও নিহতের ঘটনা ঘটেনি।”আরও পড়ুন:
পুলিশি তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে। নতুন করে যাতে হিংসার ঘটনা না ঘটে তার জন্য এলাকায় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় মহকুমা শাসক অনিমেষ রঞ্জন বলেন, “পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে।” এদিকে হিংসার ঘটনায় নিয়ে রাজনীতি না করে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনার দাবি জানিয়েছেন রাজ্যের বিজেপি সভাপতি বাবুলাল মারান্ডি। তিনি বলেন, "হোলির উৎসবে মানুষ রঙ নিয়ে খেলা করবেই, এতে যদি কেউ তাদের উপর আক্রমণ করে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সরকার শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কথা বলছে, আদৌতে তারা কিছুই করছে না।"