পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: মুম্বইয়ের স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আইআইটি-এর দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রের আত্মহত্যার ঘটনায় নতুন মোড়। পরীক্ষায় চ্যাট জিপিটি ব্যবহারের জন্য ধরা পড়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আত্মঘাতী হওয়া ওই ছাত্রের বাবার অভিযোগ, কলেজের এক অধ্যাপক তাঁর ছেলেকে 'নিচু জাতের' বলে চরম অপমান এবং গত তিন মাস ধরে অনবরত জাতিবিদ্বেষী মন্তব্য ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
মৃত ছাত্রের নাম সাহিল ওয়া কোডে (২০)। তিনি আইআইটি বোম্বাইয়ের 'এনার্জি সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং' বিভাগের এমএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় পোওয়াই ক্যাম্পাসের হোস্টেল ঘর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। সাহিলের বাবা রবীন্দ্র চক্রধর ওয়াংখেড়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ 'আত্মহত্যায় প্ররোচনা' এবং 'অনগ্রসর জাতি নির্যাতন প্রতিরোধ আইন'-এ মামলা দায়ের করেছে।আরও পড়ুন:
পরীক্ষার হল পরিদর্শক অধ্যাপক সূর্যনারায়ণ ডুল্লার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এফআইআরে আরও দু'জন অজ্ঞাতপরিচয় অভিযুক্তের উল্লেখ রয়েছে।
মুম্বই পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্তভার ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন:
সাহিলের বাবার অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের অধিকর্তা শিরীষ বি কেদারে-র নির্দেশেই অধ্যাপক ডুল্লা সাহিলের ওপর এই জাতিবিদ্বেষী নিপীড়ন চালান। সাহিল তাঁর বাবাকে জানিয়েছিলেন, অধ্যাপক তাঁকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন যে, তিনি "নিম্নবর্ণের" হওয়ায় তাঁকে অনায়াসে কোনো ভুয়ো মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া সম্ভব। এদিকে সাহিলের মা-ও কান্নায় ভেঙে পড়ে বিচার দাবি করেছেন, "আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। তার ওপর চরম নির্যাতন চালানো হয়েছে। আমি সুবিচার চাই।"