পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: সিভিক ভলান্টিয়ারদের দায়িত্ব ও নজরদারি সুনিশ্চিত করতে নতুন আদর্শ আচরণবিধি (এসওপি) প্রকাশ করল কলকাতা পুলিশ। গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, কর্তব্যে গাফিলতি, শৃঙ্খলাভঙ্গ, চাঁদা আদায় বা দুর্নীতির মতো অনৈতিক কার্যকলাপ এবং কোনও ফৌজদারি মামলায় নাম জড়ালে সংশ্লিষ্ট সিভিক ভলান্টিয়ারকে অবিলম্বে সাময়িক বরখাস্ত কিংবা স্থায়ীভাবে কাজ থেকে বরখাস্ত করা যাবে। শারীরিক অক্ষমতা বা অসুস্থতার কারণে কর্তব্য পালনে অপারগ হলেও একই পদক্ষেপ করতে পারবেন কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (হোমগার্ড অর্গানাইজেশন)।
২০২৪ সালে আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের সাজা হয়। এর পরবর্তী সময়েও ‘নো-এন্ট্রি’ লঙ্ঘন করে গাড়ি চালানো থেকে শুরু করে চলতি মাসে ঝাড়খণ্ডের এক ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডে কলকাতার এক সিভিক ভলান্টিয়ারের গ্রেফতারি ঘিরে তাঁদের নজরদারি নিয়ে বারবার প্রশ্ন ওঠে।

সেই প্রেক্ষাপটেই এই নতুন নির্দেশিকা কার্যকর করল লালবাজার।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অনুমতি ছাড়া কোনও সিভিক ভলান্টিয়ার টানা সাত দিন কাজে অনুপস্থিত থাকলে তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপে প্রথম নোটিস পাঠানো হবে। এর পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না মিললে কারণ দর্শানোর চূড়ান্ত নোটিস দেওয়া হবে। দ্বিতীয় নোটিসের উত্তর না দিলে বা জবাব সন্তোষজনক না হলে তাঁকে স্থায়ীভাবে ডিমোবিলাইজ বা বরখাস্ত করা হবে। তবে অসুস্থতা বা পরিবারের কারও মৃত্যুর মতো জরুরি ক্ষেত্রগুলি বিবেচনা করা হবে। এ ছাড়া, সিভিক ভলান্টিয়ারদের সামগ্রিক কাজের মূল্যায়নে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের প্রতি তিন মাস অন্তর হোমগার্ড অর্গানাইজেশনের ডেপুটি কমিশনারের কাছে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।