পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের পর এ বার নির্বাচন কমিশনের ‘এসআইআর’ নোটিসের গেরোয় পড়লেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তও। শুধু মুখ্যমন্ত্রী একাই নন, এই নোটিস প্রাপকদের তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড় ও তাঁর স্ত্রী সুদেশ ধনকড়, সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মদন লোকুর, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কপিল সিব্বল, সুব্রহ্মণ্যম স্বামী এবং দিল্লির মন্ত্রী প্রবেশ সিংহের মতো একাধিক হেভিওয়েট ব্যক্তিত্ব। জানা গিয়েছে, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত এই প্রক্রিয়ায় দিল্লির প্রায় ৩৩ লক্ষ ভোটারের বাড়িতে নোটিস পৌঁছেছে।
আম আদমি পার্টির তরফে জানানো হয়েছে, নয়াদিল্লি বিধানসভা কেন্দ্রের বাসিন্দা অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের ‘আনম্যাপড’ বিভাগে নোটিস দেওয়া হয়েছে। ওই বুথের মোট ১১০ জনকে নোটিস পাঠানো ঘিরে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়।

এর পরেই প্রকাশ্যে আসে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তকে নোটিস পাঠানোর বিষয়টি। বাবা বা মায়ের সঙ্গে বয়সের ব্যবধান ১৫ বছরের কম নথিভুক্ত থাকার মতো অসঙ্গতি বা ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র কারণেই তাঁকে এই নোটিস পাঠানো হয়েছিল।
বিতর্ক তৈরি হতেই বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। তথ্যের গরমিলের কারণে শুরুতে নোটিস দেওয়া হলেও পরে বিএলও বাড়ি গিয়ে সমস্ত নথি যাচাই করে নাম বহাল রেখেছেন। অন্যদিকে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নাম বাদ পড়ার প্রসঙ্গে কমিশনের দাবি, এর জন্য তিনি নিজেই দায়ী, কারণ তাঁর পরিবারের কেউ আগের এসআইআরের সঙ্গে নিজেদের নাম ম্যাপ করেননি।