০১ মার্চ ২০২৬, রবিবার, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাওড়ার পুজো উদ্বোধনে এসে ইউক্রেনের যুদ্ধ কভারেজ করা সাংবাদিক তুলে ধরলেন সেই ভয়াবহ যুদ্ধবস্থার কথা

আইভি আদক, হাওড়া: এবার এক বিশিষ্ট সাংবাদিককে দিয়ে পুজোর উদ্বোধন করাল হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর লেনের রামকৃষ্ণপুর পল্লী সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি। সাংবাদিকরা যে নিজেদের জীবন বিপন্ন করে মানুষের কাছে দিনরাত খবর পৌঁছে দেওয়ার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন, সেই কাজকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এবার পুজোয় এই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে হাওড়ার এই পুজো কমিটিটি।

ইউক্রেনের যুদ্ধ চলাকালীন দীর্ঘ ৪৮ দিন শূন্য ডিগ্রি তাপমাত্রার নিচে উপস্থিত থেকে লাইভ কভারেজ দেওয়া বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সেই মহিলা সাংবাদিককে দিয়ে এবার পুজোর শুভ সূচনা করালেন ক্লাবের উদ্যোক্তরা।

আরও পড়ুন: পাক সীমান্ত লঙ্ঘন করলে ফের হামলা চলবে: তালিবানকে হুঁশিয়ারি পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

হাওড়ার পুজো উদ্বোধনে এসে ইউক্রেনের যুদ্ধ কভারেজ করা সাংবাদিক তুলে ধরলেন সেই ভয়াবহ যুদ্ধবস্থার কথা

আরও পড়ুন: Ukraine War: শান্তি না হলে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি ট্রাম্পের

এবছর হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর লেনের রামকৃষ্ণপুর পল্লী সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি ৭৬তম বর্ষে পদাপর্ণ করল। এদের পুজোর শুভ উদ্বোধন করেন সাংবাদিক স্বর্ণালী সরকার। বাঙালি এই মহিলা সাংবাদিক ইউক্রেনের যুদ্ধ চলাকালীন দীর্ঘ ৪৮ দিন শূন্য ডিগ্রি তাপমাত্রার নিচে উপস্থিত থেকে লাইভ কভারেজ করেছিলেন। তাঁর এই প্রতিভাকে সম্মান জানিয়ে তাঁকে দিয়েই মহাপুজোর শুভ উদ্বোধনের আয়োজন করেন পুজো উদ্যোক্তারা।

আরও পড়ুন: Trump-Putin Alaska Summit: যুদ্ধ বন্ধে রাজি না হলে পুতিনের কঠিন পরিণতি হবে: ট্রাম্প

এদিন পুজামণ্ডপের উদ্বোধন করে স্বর্ণালি বলেন, ইউক্রেনে যুদ্ধের খবর কভারেজ করতে যাওয়াটা ছিল আমার কাছেও একটা চ্যািলেঞ্জ। তিনি বলেন, ওখানে জিরো ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা থাকা সত্বেও আমি প্রায় ৪৮ দিন ওখানে ছিলাম। সবচেয়ে বেশি চিন্তায় ছিলেন আমার মা। কারণ ছোটবেলায় আমি আমার বাবাকে হারাই। আমি যখন পোল্যািণ্ড বর্ডার বেলোরস বর্ডার পেরিয়ে ইউক্রেনে ঢুকছি এবং যে জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিলাম সেখানে তখন একটার পর একটা রাশিয়ান মিশাইল এসে পড়ছে। আর একটার পর একটা ট্যানঙ্ক উড়ে যাচ্ছে। তখন মনে হচ্ছিল মায়ের মুখটা আর দেখতে পাব কিনা। তবুও ওখানে থেকেছি শুধুমাত্র খবর করার জন্যম। আর বোঝাতে চেয়েছি ভারতীয় সাংবাদিকরা ভয় পায় না।

খামেনি হত্যার প্রতিবাদে করাচিতে বিক্ষোভ, সংঘর্ষে নিহত ৯

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হাওড়ার পুজো উদ্বোধনে এসে ইউক্রেনের যুদ্ধ কভারেজ করা সাংবাদিক তুলে ধরলেন সেই ভয়াবহ যুদ্ধবস্থার কথা

আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার

আইভি আদক, হাওড়া: এবার এক বিশিষ্ট সাংবাদিককে দিয়ে পুজোর উদ্বোধন করাল হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর লেনের রামকৃষ্ণপুর পল্লী সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি। সাংবাদিকরা যে নিজেদের জীবন বিপন্ন করে মানুষের কাছে দিনরাত খবর পৌঁছে দেওয়ার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন, সেই কাজকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এবার পুজোয় এই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে হাওড়ার এই পুজো কমিটিটি।

ইউক্রেনের যুদ্ধ চলাকালীন দীর্ঘ ৪৮ দিন শূন্য ডিগ্রি তাপমাত্রার নিচে উপস্থিত থেকে লাইভ কভারেজ দেওয়া বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সেই মহিলা সাংবাদিককে দিয়ে এবার পুজোর শুভ সূচনা করালেন ক্লাবের উদ্যোক্তরা।

আরও পড়ুন: পাক সীমান্ত লঙ্ঘন করলে ফের হামলা চলবে: তালিবানকে হুঁশিয়ারি পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

হাওড়ার পুজো উদ্বোধনে এসে ইউক্রেনের যুদ্ধ কভারেজ করা সাংবাদিক তুলে ধরলেন সেই ভয়াবহ যুদ্ধবস্থার কথা

আরও পড়ুন: Ukraine War: শান্তি না হলে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি ট্রাম্পের

এবছর হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর লেনের রামকৃষ্ণপুর পল্লী সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি ৭৬তম বর্ষে পদাপর্ণ করল। এদের পুজোর শুভ উদ্বোধন করেন সাংবাদিক স্বর্ণালী সরকার। বাঙালি এই মহিলা সাংবাদিক ইউক্রেনের যুদ্ধ চলাকালীন দীর্ঘ ৪৮ দিন শূন্য ডিগ্রি তাপমাত্রার নিচে উপস্থিত থেকে লাইভ কভারেজ করেছিলেন। তাঁর এই প্রতিভাকে সম্মান জানিয়ে তাঁকে দিয়েই মহাপুজোর শুভ উদ্বোধনের আয়োজন করেন পুজো উদ্যোক্তারা।

আরও পড়ুন: Trump-Putin Alaska Summit: যুদ্ধ বন্ধে রাজি না হলে পুতিনের কঠিন পরিণতি হবে: ট্রাম্প

এদিন পুজামণ্ডপের উদ্বোধন করে স্বর্ণালি বলেন, ইউক্রেনে যুদ্ধের খবর কভারেজ করতে যাওয়াটা ছিল আমার কাছেও একটা চ্যািলেঞ্জ। তিনি বলেন, ওখানে জিরো ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা থাকা সত্বেও আমি প্রায় ৪৮ দিন ওখানে ছিলাম। সবচেয়ে বেশি চিন্তায় ছিলেন আমার মা। কারণ ছোটবেলায় আমি আমার বাবাকে হারাই। আমি যখন পোল্যািণ্ড বর্ডার বেলোরস বর্ডার পেরিয়ে ইউক্রেনে ঢুকছি এবং যে জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিলাম সেখানে তখন একটার পর একটা রাশিয়ান মিশাইল এসে পড়ছে। আর একটার পর একটা ট্যানঙ্ক উড়ে যাচ্ছে। তখন মনে হচ্ছিল মায়ের মুখটা আর দেখতে পাব কিনা। তবুও ওখানে থেকেছি শুধুমাত্র খবর করার জন্যম। আর বোঝাতে চেয়েছি ভারতীয় সাংবাদিকরা ভয় পায় না।