এম এ হাকিম, বনগাঁঃ সীমান্ত শহর বনগাঁর হাফেজি মাদ্রাসায় হামলাকারী অভিযুক্তকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। তিনদিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে অভিযুক্ত হুমায়ূন কবীরকে রবিবার পুনরায় বনগাঁ মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে তাকে ১২ জুন পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। এর আগে গত বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে পেশ করা হয়েছিল। বনগাঁ মহকুমা আদালতের বিশেষ সরকারি আইনজীবী সমীর দাস বলেন, ‘মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে মানুষজনকে আহত করার অভিযোগে অভিযুক্তকে ১২ জুন পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে— ‘‘কুরআন ঢাকা দেওয়ার জন্য বিশেষ কাপড় চেয়েছিল মাদ্রাসায়, কিন্তু মাদ্রাসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তা দিতে অস্বীকার করলে সে হামলা চালিয়েছিল।’’ তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে কাঠের হাতল লাগানো একটি লোহার রড, একটি ব্লেড এবং একটি ছুরি উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ আজ ভারপ্রাপ্ত এসিজেএমকে এসব তথ্য জানিয়েছে।’
অভিযুক্তের মস্তিষ্ক বিকৃতির কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন আইনজীবী সমীর বাবু। তিনি বলেন, ‘তার পাগলামির ভান রয়েছে। নিজেকে পাগল প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। যেদিন প্রথম আদালতে তোলা হয়েছিল, সেদিন কোর্ট লকআপের একজন কনস্টেবলের মুখে সে আঘাত করেছিল। সে নিজেকে পাগল প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। আমরা এখনও নিশ্চিত নই যে আদৌ তার মাথা খারাপ কি না।’
এদিকে, বর্ধমানের মেমারিতে বাবা-মাকে খুনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে যে মামলা রয়েছে সেই মামলার তদন্ত করছে সেখানকার পুলিশ। তাদের একটি টিম বনগাঁয় গিয়েছে। তারা আদালতে আবেদন জানিয়ে অভিযুক্তকে মেমারিতে নিয়ে যাবেন।































