পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক:পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী শুক্রবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনে প্রাতরাশ সারলেন এনসিপিআই সাংসদেরা। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের পাশাপাশি এই বৈঠকে বিশেষ নজর কাড়েন দলের তিন 'বেসুরো' সংখ্যালঘু সাংসদ আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং ইউসুফ পঠান। এদিন সকালে প্রথমে বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ের বাসভবনে জড়ো হন সাংসদেরা। সেখান থেকে বাসে করে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে যান তাঁরা।
আরও পড়ুন:
বৈঠকের পর উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, প্রধানমন্ত্রী পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়নের উপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। সেই সঙ্গে চল্লিশোর্ধ্ব সাংসদদের বছরে দু'বার স্বাস্থ্যপরীক্ষা করানো এবং সুস্থ থাকতে যোগাসন করার পরামর্শ দিয়েছেন। হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায় জানান, প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেককে নিজেদের সংসদীয় এলাকায় গিয়ে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি, মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদারের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে আগামী গঙ্গাসাগর মেলায় আসার চেষ্টা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
বিগত কয়েকদিন ধরেই জল্পনা চলছিল যে, আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং ইউসুফ পঠান এনডিএ জোটে থাকতে চাইছেন না। গত মঙ্গলবার এনডিএ সাংসদদের বৈঠকেও তাঁরা অনুপস্থিত ছিলেন, যার ফলে তাঁদের কালীঘাট তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনের জল্পনা তৈরি হয়। তবে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে (শতাব্দী রায় এবং অসিত মাল-সহ) বৈঠকের পর শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশেও তাঁরা উপস্থিত হন। বৈঠক শেষে আবু তাহের জানান, তাঁরা পশ্চিমবঙ্গ তথা মুর্শিদাবাদের সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে রাজ্যের সংখ্যালঘুদের বঞ্চনা ও তাঁদের ওপর অত্যাচারের বিষয়টি জানিয়েছেন।