পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লোকসভা ভোটের আগে লাক্ষাদ্বীপ সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সেই রোমাঞ্চকর অনুভূতির একটি দিক ধরা পড়ল। এক অন্য মুডে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রীকে। সামনে নীল জলরাশি,  সেই সমুদ্রের দিকে একদৃষ্টে চেয়ে আছেন প্রধানমন্ত্রী। শান্ত,  নিবিড় চিত্তের একমনে সমুদ্রতট দিয়ে হেঁটে চলেছেন মোদি। লাক্ষাদ্বীপের বালুচরে বসে এইভাবে সময় কাটাতে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রীকে।

সেই বালুচরে প্রাতঃভ্রমণ সারলেন তিনি। এই অনুভূতিকে তিনি স্বর্গসুখের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এমনকি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মোড়া সমুদ্রের বুকে অ্যাডভেঞ্চারে নামেন মোদি। সেই সমস্ত দুর্ধর্ষ ছবি তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করলেন। সফর সেরে ফিরে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু ফেরার পরেও সেই সুন্দর স্মৃতির স্বপ্নে বিভোর মোদি।
নস্ট্যালজিয়ায় ভাসছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে লাক্ষাদ্বীপ সফরের একাধিক ছবি শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি জানান,  লাক্ষাদ্বীপে 'স্নোকেলিং' করেছেন। সঙ্গে মোদি লেখেন ‘যাঁরা নিজেদের মধ্যে থাকা অ্যাডভেঞ্চারের সত্ত্বাকে উপভোগ করতে চান, তাঁদের পছন্দের তালিকায় অবশ্যই লাক্ষাদ্বীপ থাকা উচিত। আমি যখন ছিলাম, তখন আমিও স্নোকেলিং করেছিলাম। কী অসামান্য অভিজ্ঞতা ছিল।

ছবি শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, 'সকাল-সকাল অসামান্য সুন্দর সমুদ্রতটে যে হেঁটেছিলাম, সেটি অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর মুহূর্ত ছিল'। প্রধানমন্ত্রীর আরও সংযোজন, 'লাক্ষাদ্বীপের প্রশান্তি আমাকে ১৪০ কোটি ভারতবাসীর কল্যাণের জন্য আরও কঠোর পরিশ্রম করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। এখানে এসে আমি এই নিয়ে শান্ত মনে ভাবতে পেরেছি'। সমুদ্রের নীচে 'স্নোকেলিং করার সময় কী দেখেছেন, তিনি তার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।

রাজনৈতিক কর্মসূচিতে লাক্ষাদ্বীপ সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী ১১৫০ কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন। মোদি জানিয়েছেন, লাক্ষাদ্বীপের আগাট্টি, বেঙ্গারাম, কাভারাত্তির স্থানীয় মানুষের ব্যবহার তাঁকে মুগ্ধ করেছে। প্রধানমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এই সফর ছিল তাঁর ব্যক্তিগত শিক্ষা, সমৃদ্ধির একটি অবিস্মরণীয় সফর। লাক্ষাদ্বীপের মানুষের সরলতা তাদের সংস্কৃতিকে বজায় রেখেই স্থানীয় বাসিন্দাদের উন্নয়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তিনি। এখানকার মানুষ যাতে খাবার, বিশুদ্ধ জল, উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা, দ্রুত ইন্টারনেট সুবিধা পান তার ব্যবস্থা করবে কেন্দ্র সরকার।