পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ রাজ্যে ক্রমশই বাড়ছে ওমিক্রন আতঙ্ক। নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ৫। আগেই ৫ জনের ওমিক্রন রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল। এবার ফের ৫ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।  মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১১।

এদের মধ্যে দুজন কলকাতা, একজন দমদম ও একজন হাওড়ার বাসিন্দা। এরা বিদেশ থেকে এই রাজ্যে ফেরেনি।

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, ১০৭ জনের নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয়। তার মধ্যে ৫ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এই মুহূর্তে গঙ্গাসাগরে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেখান থেকেই করোনা, ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গেলে, প্রয়োজনে স্কুল কলেজ বন্ধ রাখা হতে পারে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। কলকাতায় আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে কোভিডবিধি পর্যালোচনা। প্রয়োজনে ৩ জানুয়ারি থেকে কলকাতায় ওয়ার্ড ভিত্তিক কনটেনমেন্ট জোন হবে।

ইতিমধ্যেই করোনা, ওমিক্রন নিয়ে  রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, বেলেঘাটা আইডি’কে ওমিক্রনের নোডাল হাসপাতাল করা হবে। আরও ৭টি বেসরকারি হাসপাতালকে ওমিক্রন আক্রান্তেদের চিকিত্‍সার জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সেই তালিকায় থাকছে, আমরির তিনটি শাখা, অ্যাপোলো , ফর্টিস, উডল্যান্ডস, বেলভিউ, CMRI,  চার্নক।

স্বাস্থ্য দফতরের সূত্রে জানানো হয়েছে, এদিনের বৈঠকে জানানো হয়েছে, ওমিক্রন সন্দেহভাজনদের অন্য করোনা আক্রান্তদের সঙ্গে রাখা যাবে না। ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে, পরপর ২টি আরটি পিসিআর রিপোর্ট নেগেটিভ এলে তবেই রোগীকে ওমিক্রন নেগেটিভ ধরা হবে। তারপর হাসপাতাল থেকে ছাড়া যাবে তাঁকে। বাড়িতে আরও ৭ দিন বাধ্যতামূলক আইসোলেশনে থাকতে হবে রোগীকে।