সেখ কুতুবউদ্দিন: স্কুলে শিক্ষার মান কেমন। তা খতিয়ে দেখতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতেন এসআই, জেলা শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা।
আরও পড়ুন:
প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে চলত আধিকারিকদের 'ভিসিট'। তাঁরা স্কুলের পরিকাঠামো, শিক্ষক ঘাটতি, পড়ুয়া ঘাটতি থেকে শুরু করে সব কিছু দেখতেন। সেই সঙ্গে ক্লাসে ক্লাসে গিয়ে পড়ুয়াদের বিষয় ভিত্তিক প্রশ্ন করতেন।
আরও পড়ুন:
স্কুলে আবার কোনও কোনও সময় হঠাৎ আসতেন। আবার কখনও কখনও শিক্ষকদের জানিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেখা যেত তাঁদের। কিন্তু স্কুলে সেই ভিসিট আর লক্ষ্য করা যায় না।
আরও পড়ুন:
এবার স্কুলে পড়ুয়াদের শিক্ষার মান, পরিকাঠামো, মিডডে মিল, পোশাক সহ একাধিক বিষয়ে নজরদারি চালাতে স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরাই স্কুল ভিসিট করবেন। এই নিয়ে শিক্ষা দফতরের তরফে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটি এই পরিদর্শক দলের দে'ভাল করবে।
আরও পড়ুন:
স্কুল শিক্ষা দফতরের এক আধিকারিক বলেন, বিকাশভবন সহ জেলা শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদের স্কুলে গিয়ে বিশেষ ভিসিট করতে হবে। সেই বিষয়ে জেলা স্কুল পরিদর্শকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা স্কুল পরিদর্শকরা এসআইদের নিয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনাও করবেন।
আরও পড়ুন:
কেন এই উদ্যোগ, এই প্রসঙ্গে স্কুল শিক্ষা দফতরের ওই আধিকারিক বলেন, শিক্ষার মান নিয়ে অনেক স্কুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে। তবে এখন স্কুল পরিদর্শনের রেওয়াজ আর নেই।
আরও পড়ুন:
বিকাশ ভবন থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, শিক্ষা দপ্তরের যুগ্ম সচিব বা তার উপরের পদাধিকারীরা জেলায় গিয়ে নজরদারি চালাবেন। প্রতিমাসে কোনো একটি সপ্তাহের শেষে জেলায় যাবেন তারা। একটি কাজের দিন এবং ছুটির দিন মিলিয়ে অন্তত ৩দিন তারা সেখানে থাকবেন। খতিয়ে দেখবেন মিড ডে মিলসহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের অগ্রগতি।
আরও পড়ুন:
এর আগেও শীর্ষ অধিকারীদের জেলায় পাঠিয়ে স্কুল পরিদর্শনের উদ্যোগ নিয়েছিল শিক্ষা দপ্তর। পরবর্তীকালে তা বন্ধ হয়ে যায়। ফের সেই কাজে গতি আনতে চাইছে বিকাশ ভবন ।
আরও পড়ুন:
পরিদর্শনে তিন দিনের মধ্যেই তারা রিপোর্ট জমা দেবেন শিক্ষা সচিবকে।
সহকারী জেলাশাসক, জেলা স্কুল পরিদর্শক, সমগ্র শিক্ষা অভিযানের জেলা প্রকল্প আধিকারিক, মিড ডে মিলের দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা আধিকারিকরা প্রয়োজন মতো জোনাল আধিকারিকদের সহায়ক ও সঙ্গী হবেন। থাকবেন নোডাল আধিকারিকেরাও।আরও পড়ুন:
প্রতি মাসে অন্তত একটি জেলায় যেতে হবে। জানা গেছে, খোদ স্কুল শিক্ষা কমিশনার তথা সমগ্র শিক্ষা অভিযানের জেলা প্রকল্প অধিকর্তা শুভ্র চক্রবর্তী দায়িত্ব পেয়েছেন কলকাতা হাওড়া এবং হুগলি জেলার।
আরও পড়ুন:
এই বিষয়ে স্কুলের এক প্রধান শিক্ষককের কথায়, এই উদ্যোগ ভালো, স্কুলের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে সরজমিনে খতিয়ে দেখবেন আধিকারিকরা। এতে বিশেষ সুবিধা হয়ে। শিক্ষা দফতরের এক আধিকারিক আরও জানান, স্কুলে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে শিক্ষা দফতর অথবা ডিআইদের কাছে লিখিতভাবে জানালে সেই অভিযোগ পড়ে থাকে দীর্ঘদিন ধরে।
আরও পড়ুন:
এখন আধিকারিকরা সরাকরি স্কুলে এলে স্কুলের পড়ুয়া ও শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে।