পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: রাজ্যে বেআইনি ও নেশা সৃষ্টিকারী ওষুধের অপব্যবহার রোধে এবং ওষুধ আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে পঞ্জাবের ভগবান মান সরকার। পঞ্জাব ফুড অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ড্রাগস উইং ১ এপ্রিল ২০২৫ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে রাজ্যজুড়ে মোট ১৬,৭৮৮টি তদারকি অভিযান চালিয়েছে।
আরও পড়ুন:
এই অভিযান চলাকালীন ২১৪টি নথিভুক্ত ও অনথিভুক্ত ফার্ম থেকে আনুমানিক ২০.৬৪ কোটি টাকা মূল্যমানের ওষুধ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেই সাথে ১৯৪০ সালের 'ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিকস অ্যাক্ট' এবং ১৯৪৫ সালের 'ড্রাগস রুলস' লঙ্ঘনের দায়ে ৫২০ জন কেমিস্টের লাইসেন্স স্থগিত এবং ২২ জন কেমিস্টের লাইসেন্স স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
পঞ্জাবের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী বালবীর সিংয়ের সরাসরি নির্দেশে এই নজরদারি ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পঞ্জাব সরকারের প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যজুড়ে নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে আদালতের মাধ্যমে ৫৪টি নতুন মামলা রুজু করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি মামলায় অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করে জরিমানা করা হয়েছে এবং বর্তমানে পঞ্জাবের বিভিন্ন জেলা আদালতে প্রায় ৬৫০টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
আরও পড়ুন:
নেশার বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত ওষুধের বেআইনি বিক্রি রুখতে কেন্দ্র সরকারের কাছে পঞ্জাব সরকার বারবার আবেদন জানিয়ে আসছিল।
অবশেষে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে 'প্রিগাবালিন' নামক বহুল ব্যবহৃত ওষুধটিকে 'শিডিউল এইচ১' কভারেজের অধীনে অন্তর্ভুক্ত করেছে, যা আগামী ১২ নভেম্বর ২০২৬ থেকে কার্যকর হতে চলেছে।আরও পড়ুন:
অনলাইন বা ই-ফার্মেসির মাধ্যমে ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণ নীতি বা গাইডলাইন না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পঞ্জাব সরকার। সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দোকানে কড়াকড়ি থাকা সত্ত্বেও ই-ফার্মেসির মাধ্যমে অনায়াসে নেশার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ওষুধ কেনাবেচা চলছে, যা সরকারের মাদকবিরোধী প্রচারকে বাধাগ্রস্ত করছে। ইতিমধ্যে পঞ্জাব সরকার রাজ্যে ৮ প্রকার নির্দিষ্ট ওষুধ ফর্মুলেশনের মজুত ও বিক্রির ওপর কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে।