পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে চারদিনের সফরে ভারতে  এসেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফরের দ্বিতীয় দিনেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সেরেছেন তিনি। দুই দেশের মধ্যে সাত দফার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। অসমের কুশিয়ারা নদীর জলবণ্টন নিয়ে পাকাপাকি চুক্তি হয়েছে। হাসিনা বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করাই এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য।

রাষ্ট্রপতি ভবনে মঙ্গলবার গার্ড অফ অনার দেওয়া হয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে।

শেখ হাসিনা বুধবার নয়াদিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগ ও বলিদানের প্রতি সম্মান জানিয়ে শহিদদের উত্তরসূরিদের জন্য ছাত্রবৃত্তির ঘোষণা করলেন।  মুক্তিযুদ্ধে  শহিদ ভারতীয় জওয়ানদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন শেখ হাসিনা।

একইসঙ্গে, দশম ও দ্বাদশ শ্রেণিতে পাঠরত শহিদ ভারতীয় জওয়ানদের উত্তরসূরির জন্য ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ছাত্রবৃত্তি’র ঘোষণাও করেন তিনি।

দুই শ্রেণি থেকে ১০০ জন করে পড়ুয়াকে এই স্কলারশিপ দেওয়া হবে। ওই অনুষ্ঠানে হাসিনার সঙ্গে ছিলেরন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর।

এদিন হাসিনা বলেন, “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ছাত্রবৃত্তি আসলে শহিদ  ভারতীয় জওয়ানদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ্য। আমাদের জন্য বলিদান দিয়েছেন তাঁরা। আমদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য যে ভারতীয় জওয়ানরা শহিদ হয়েছেন তাঁদের সম্মান জানাতে পেরে পেরে আমরা আপ্লুত।”

দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত প্রসঙ্গে হাসিনা বলেন, 'দুই দেশের যুবপ্রজন্মের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রয়োজন রয়েছে। তারা একই ইতিহাসের অংশীদার এবং আগামীদিনে দেশের রাশ  ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হাতেই থাকবে। তাই পূর্বসূরিদের মতো তাদেরও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে'।