হট ফেভারিট হিসেবে বিশ্বকাপ শুরু করা স্পেন নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিল সেমিফাইনালেই। দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে লা রোজা। এমবাপ্পে-ডেম্বেলেদের আক্রমণ কার্যত নিষ্ক্রিয় করে পুরো ম্যাচেই আধিপত্য দেখিয়েছে স্প্যানিশরা।

২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের ফাইনালে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্পেন। এবার সেই সাফল্য পুনরাবৃত্তির হাতছানি লামিনে ইয়ামালদের সামনে।


ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে দুই দল। ১০ মিনিটে ফ্রি-কিক পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি স্পেন। তবে ২০ মিনিটে লামিনে ইয়ামালকে ফ্রান্সের বক্সে ফাউল করা হলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পট কিক থেকে নিখুঁত শটে দলকে এগিয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবাল।

প্রথমার্ধের শেষদিকে আরও একটি গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল স্পেন।

৩৬ মিনিটে বায়েনা বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। অন্যদিকে ফ্রান্সও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি। ফলে ১-০ ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে স্পেন। ৫৮ মিনিটে পেদ্রো পোরো দুর্দান্ত ফিনিশে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।

এরপর ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ফ্রান্স। এমবাপ্পে, বারকোলা ও ডেম্বেলেরা একের পর এক আক্রমণ চালালেও স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন এবং রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় সব প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হয়।

শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই উল্লাসে ফেটে পড়ে স্পেন শিবির। ২-০ গোলের জয়ে ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল স্পেন। এখন শিরোপা জয়ের আর মাত্র এক ধাপ দূরে ইউরোপের এই পরাশক্তি।