উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়,কুলতলি : সুন্দরবনের কুলতলিতে আবার ম্যানগ্রোভ কাটার অভিযোগ ওঠার পরে বন দফতরের তরফে সেই জায়গায় নতুন করে ম্যানগ্রোভ লাগানোর কাজ শুরু করেছে বন দফতরের কর্মীরা।পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য সুন্দরবন। আর এই সুন্দরবনকে বাঁচিয়ে রাখতে গেলে ম্যানগ্রোভের কোন বিকল্প নেই। গাছপালা নদী নালা বাদাবন জীবজন্তু নিয়েই এই সুন্দরবন।গত কয়েক দিন ধরে কুলতলির ৬ নম্বর মধুসূদনপুরও ৩ নম্বর কৈখালী এলাকায় ম্যানগ্রোভ গাছ কেটে মাছের ভেড়ি করার অভিযোগ উঠছে স্থানীয় কিছু মানুষের বিরুদ্ধে।

প্রসঙ্গত, সুন্দরবনের কুলতলিতে ম্যানগ্রোভ কেটে ভেড়ি নির্মাণের অভিযোগ।তাঁর পাশাপাশি কুলতলি ব্লকের গোপালগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬ নম্বর মধুসূদনপুরে নৈপুকুরিয়া নদীর চরে তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্যার বাড়ির কাছেই এই ঘটনা ঘটে। কুলতলি পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ সাহাদাত শেখ এই ঘটনার কথা স্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে কুলতলি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তবে এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।আর এই ঘটনার পরেই নড়েচড়ে বসে বন দপ্তর।

গোপালগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের নৈপুকুরিয়া নদীর চরে যেখানে যেখানে ম্যানগ্রোভ কাটা হয়েছিলো ঠিক সেই জায়গার মাটির পাঁচিল কেটে ফেলার কাজ শুরু করলো বন দপ্তর।

কুলতলিতে নতুন করে ম্যানগ্রোভ বসানোর কাজ শুরু বন দফতরের

বনদপ্তর এর পক্ষ থেকে জানানো হয় যে যে স্থানে এই ম্যানগ্রোভ কাটা হয়েছে সেখানে নতুন করে ম্যানগ্রোভ বসানোর কাজ শুরু করেছে তাঁরা। যেখানেই ম্যানগ্রোভ ধ্বংস হবে সেখানে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় বন দফতরের পক্ষ থেকে।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, আমরা এর আগে ও ম্যানগ্রোভ কাটার বিরোধিতা করেছি। তার পরে সাময়িক বন্ধ হলে ও ফের তা শুরু হয়েছে। বন দফতর কে বলবো যে বা যারা এই ভাবে পরিবেশকে ধ্বংস করে মানুষকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।এ ব্যাপারে কুলতলির বিডিও সুচন্দন বৈদ্য বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।