পুবের কলম প্রতিবেদকঃ রমযান এলেই জাপানের কবে মসজিদ যেন স্মৃতির পাতায় চোখ রাখে। আট দশক আগে এই মসজিদটির নাম বিশ্বের বাকি মসজিদের সঙ্গে উঠে আসে। আর রমযান এলেই তা যেন বেশি করে মনে পরে যায়। কোবের চুও-কু’র নাকায়ামতে ডোরিতে তিনতলা মসজিদটি চেক স্থপতি জান জোসেফ স্যাগর ডিজাইন করেছিলেন। ১৯৩৫ সালে নির্মিত হয়েছিল এই মসজিদটি।
এটির নিচতলায় রয়েছে নামাযের জায়গা। সেইসঙ্গে একটি সাদা মার্বেল মিহরাব এবং মিম্বার রয়েছে।আরও পড়ুন:
ভবনটিতে একটি ইসলামিক কালচার সেন্টার রয়েছে। সেখানে ইসলাম সম্পর্কে সাধারণ তথ্য পাওয়া যায় । ১৯৩৬ সালের এই কোবে মসজিদের রিপোর্ট অনুসারে,বহু দেশ থেকে আগত মুসলিম মহিলা ও পুরুষরা এখানে আসেন।
১৯৩৫ এর ২ আগস্ট শুক্রবার জনাব ফিরোজউদ্দিন এই ভবনটির উদ্বোদন করেছিলেন।আরও পড়ুন:
১১ অক্টোবর, ১৯৩৫ -এর বিকেলে, প্রায় ৬০০ জন অতিথি মসজিদ ভবনটি দেখার জন্য এসেছিলেন । একটি দুর্দান্ত সংবর্ধনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।সেই সময়ে কোবের মেয়র জিঞ্জিরো কাটসুদা একই প্রতিবেদনে মুদ্রিত একটি বার্তা শেয়ার করেছিলেন। মেয়র বলেন, তকোবের মেয়র হিসেবে, কোবে মুসলিম মসজিদ কমিটিকে মসজিদের উদ্বোধন উপলক্ষে আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাতে পেরে আমি আনন্দিত।
এটি জাপানে নির্মিত প্রথম মুসলিম মসজিদ, এবং কোবে এই মসজিদ নিয়ে গর্বিত । নতুন মসজিদের চেহারা কোবের মতো একটি শহরে বেশ মানানসই। "নতুন মসজিদটি শুধুমাত্র কোবেই নয়, জাপানের অন্যান্য স্থানে বসবাসকারী মুসলমানদের জন্য নামাযের অন্যতম জায়গা। কাতসুদা বলেছেন আমার আমার আন্তরিক ইচ্ছা যে এই নতুন মসজিদটি মুসলিম-জাপানি বন্ধুত্বের আরও বেশি শৃঙ্খলাবদ্ধ করবে। তারাদের নিজের মধ্যে বন্ধন আরও মজবুত হবে।আরও পড়ুন:
সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং ১৯৯৫ সালের বিধ্বংসী কোবে ভূমিকম্প এই মসজিদটির কোনো ক্ষতি করতে পারেনি। যে কারণে মসজিদটি নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক চর্চা হয়েছে।