২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আজ দোল পূর্ণিমায় বসন্ত উৎসবের মধ্য দিয়ে কবিগুরুকে স্মরণ

বেহালার কালীচরণ দত্ত রোডে পালিত বসন্ত উৎসব...। (ছবি- অভিজিৎ ভট্টাচার্য)

বিপাশা চক্রবর্তী, কলকাতাঃ আজ পবিত্র দোল পূর্ণিমা। গানে, নাচের ছন্দের কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে স্মরণের মধ্য দিয়ে আজ চতুর্দিকেই পালিত হচ্ছে বসন্ত উৎসব। করোনা আবহে পরিস্থিতি কিছু থেমে গেলেও এবছর সকলকেই সেই পুরনো আবেগে ভেসে যেতে দেখা গেল।

আজ দোল পূর্ণিমায় বসন্ত উৎসবের মধ্য দিয়ে কবিগুরুকে স্মরণ

আরও পড়ুন: বেহালায় শিশুমৃত্যুর ঘটনায় পরিবারে পাশে মুখ্যমন্ত্রী, জখম বাবার চিকিৎসার দায়িত্ব নিল রাজ্য সরকার

বসন্ত উৎসব মানেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতন। তবে আজ এক চিলতে শান্তিনিকেতন উঠে এল কলকাতার বেহালার কালীচরণ দত্ত রোডে। সকাল থেকেই কচি কাঁচারা আজ শামিল হয়েছে বসন্ত উৎসবে।  ছোটদের উৎসাহ দিতে শামিল বড়রাও।

আরও পড়ুন: বেহালা থেকে বকখালি রাস্তার দু’ধারে দখলদার উচ্ছেদের নির্দেশ হাইকোর্টের

সকালে প্রভাত ফেরির মধ্যে দিয়ে শুরু হয় উৎসব। তার পর একের পর সঙ্গীতানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে চলে কবি বন্দনা।

আরও পড়ুন: ১৪ আগস্ট বেহালা পূর্বে মমতা, রবিবার কি বার্তা দেবেন দলনেত্রীর অপেক্ষায় বেহালাবাসী 

নাচের অনুষ্ঠানে দেখা গেল সকলের পরনেই হলুদ শাড়ি, কপালে লাল টিপ। গলায় গাঁদার মালা। গালে ফাগুনের রং।

আজ দোল পূর্ণিমায় বসন্ত উৎসবের মধ্য দিয়ে কবিগুরুকে স্মরণ

 

অনুষ্ঠানের কচি কাঁচাদের কথায়, অনেক দিন আগে থেকেই রিহার্সাল শুরু হয়েছে। করোনা আবহে বিগত দু’বছর তারা সেভাবে আনন্দ করতে পারেনি।  তাই এবার প্রবল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তাদের এই অনুষ্ঠান। বাড়ির বড়রাও পাশে আছে।

উল্লেখ্য, দোল পূর্ণিমা বাংলার বসন্ত উৎসব। প্রতি বছর বাঙালীরা এই দিনটিতে রঙ খেলায় আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠে। দোলযাত্রা যেন বসন্তের আহ্বান। এই উৎসবটি যেন জানিয়ে দেয় শীত বিদায় নিয়েছে, এসেছে বসন্তের ছোঁয়া। এই দিনটিতে বাঙালিরা একে অপরকে রঙে রাঙিয়ে দেয়। এই দিনে বাতাসে যেন একটাই সুর বয়ে চলে “রাঙিয়ে দিয়ে যাও যাও যাও গো এবার যাবার আগে”। এই বসন্ত উৎসবকে স্বাগত জানাতে প্রকৃতি যেন এক বর্ণিল সাজে সেজে ওঠে।

আজ দোল পূর্ণিমায় বসন্ত উৎসবের মধ্য দিয়ে কবিগুরুকে স্মরণ

মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্যের জন্ম হয়েছিল এই পূর্ণিমার তিথিতে, তাই দোল পূর্ণিমাকে গৌরী পূর্ণিমা বলা হয়। দোল পূর্ণিমা অনেক পৌরাণিক ঘটনা। এই তিথিতে বৃন্দাবনে আবির ও গুলাল নিয়ে শ্রী কৃষ্ণ, রাঁধা এবং তার গোপীগনের সঙ্গে হোলি খেলেছিল আর সেই ঘটনা থেকে উৎপত্তি হয় দোল খেলা।

আজ দোল পূর্ণিমায় বসন্ত উৎসবের মধ্য দিয়ে কবিগুরুকে স্মরণ
দোল পূর্ণিমার মূল আকর্ষণ আবির। এই দিনটি আবিরের রঙে রাঙিয়ে দেওয়ার দিন। এই দিনের পূজিত ঈশ্বর রাঁধা-কৃষ্ণ। বাঙালির দোলযাত্রাটি রাঁধা কৃষ্ণকে ঘিরেই। তাকে দোলায় বসিয়ে ওই দিনে পূজিত করা হয়।

সর্বধিক পাঠিত

আজ SIR এর প্রথম চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, কী দেখবেন এবং কীভাবে দেখবেন

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আজ দোল পূর্ণিমায় বসন্ত উৎসবের মধ্য দিয়ে কবিগুরুকে স্মরণ

আপডেট : ১৮ মার্চ ২০২২, শুক্রবার

বিপাশা চক্রবর্তী, কলকাতাঃ আজ পবিত্র দোল পূর্ণিমা। গানে, নাচের ছন্দের কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে স্মরণের মধ্য দিয়ে আজ চতুর্দিকেই পালিত হচ্ছে বসন্ত উৎসব। করোনা আবহে পরিস্থিতি কিছু থেমে গেলেও এবছর সকলকেই সেই পুরনো আবেগে ভেসে যেতে দেখা গেল।

আজ দোল পূর্ণিমায় বসন্ত উৎসবের মধ্য দিয়ে কবিগুরুকে স্মরণ

আরও পড়ুন: বেহালায় শিশুমৃত্যুর ঘটনায় পরিবারে পাশে মুখ্যমন্ত্রী, জখম বাবার চিকিৎসার দায়িত্ব নিল রাজ্য সরকার

বসন্ত উৎসব মানেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতন। তবে আজ এক চিলতে শান্তিনিকেতন উঠে এল কলকাতার বেহালার কালীচরণ দত্ত রোডে। সকাল থেকেই কচি কাঁচারা আজ শামিল হয়েছে বসন্ত উৎসবে।  ছোটদের উৎসাহ দিতে শামিল বড়রাও।

আরও পড়ুন: বেহালা থেকে বকখালি রাস্তার দু’ধারে দখলদার উচ্ছেদের নির্দেশ হাইকোর্টের

সকালে প্রভাত ফেরির মধ্যে দিয়ে শুরু হয় উৎসব। তার পর একের পর সঙ্গীতানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে চলে কবি বন্দনা।

আরও পড়ুন: ১৪ আগস্ট বেহালা পূর্বে মমতা, রবিবার কি বার্তা দেবেন দলনেত্রীর অপেক্ষায় বেহালাবাসী 

নাচের অনুষ্ঠানে দেখা গেল সকলের পরনেই হলুদ শাড়ি, কপালে লাল টিপ। গলায় গাঁদার মালা। গালে ফাগুনের রং।

আজ দোল পূর্ণিমায় বসন্ত উৎসবের মধ্য দিয়ে কবিগুরুকে স্মরণ

 

অনুষ্ঠানের কচি কাঁচাদের কথায়, অনেক দিন আগে থেকেই রিহার্সাল শুরু হয়েছে। করোনা আবহে বিগত দু’বছর তারা সেভাবে আনন্দ করতে পারেনি।  তাই এবার প্রবল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তাদের এই অনুষ্ঠান। বাড়ির বড়রাও পাশে আছে।

উল্লেখ্য, দোল পূর্ণিমা বাংলার বসন্ত উৎসব। প্রতি বছর বাঙালীরা এই দিনটিতে রঙ খেলায় আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠে। দোলযাত্রা যেন বসন্তের আহ্বান। এই উৎসবটি যেন জানিয়ে দেয় শীত বিদায় নিয়েছে, এসেছে বসন্তের ছোঁয়া। এই দিনটিতে বাঙালিরা একে অপরকে রঙে রাঙিয়ে দেয়। এই দিনে বাতাসে যেন একটাই সুর বয়ে চলে “রাঙিয়ে দিয়ে যাও যাও যাও গো এবার যাবার আগে”। এই বসন্ত উৎসবকে স্বাগত জানাতে প্রকৃতি যেন এক বর্ণিল সাজে সেজে ওঠে।

আজ দোল পূর্ণিমায় বসন্ত উৎসবের মধ্য দিয়ে কবিগুরুকে স্মরণ

মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্যের জন্ম হয়েছিল এই পূর্ণিমার তিথিতে, তাই দোল পূর্ণিমাকে গৌরী পূর্ণিমা বলা হয়। দোল পূর্ণিমা অনেক পৌরাণিক ঘটনা। এই তিথিতে বৃন্দাবনে আবির ও গুলাল নিয়ে শ্রী কৃষ্ণ, রাঁধা এবং তার গোপীগনের সঙ্গে হোলি খেলেছিল আর সেই ঘটনা থেকে উৎপত্তি হয় দোল খেলা।

আজ দোল পূর্ণিমায় বসন্ত উৎসবের মধ্য দিয়ে কবিগুরুকে স্মরণ
দোল পূর্ণিমার মূল আকর্ষণ আবির। এই দিনটি আবিরের রঙে রাঙিয়ে দেওয়ার দিন। এই দিনের পূজিত ঈশ্বর রাঁধা-কৃষ্ণ। বাঙালির দোলযাত্রাটি রাঁধা কৃষ্ণকে ঘিরেই। তাকে দোলায় বসিয়ে ওই দিনে পূজিত করা হয়।