পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: দেরাদুনে বিনা নোটিশে বন্ধ হল ১১ টি মাদ্রাসা। তালা ঝুলছে একাধিক মসজিদেও। রাজ্য মাদ্রাসা বোর্ড বা শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে রেজিস্ট্রেশন করা ছিল না ওই মাদ্রাসাগুলির বলেই অভিযোগ। ২৮ শে ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসন কর্তৃক জারি হওয়া এক নোটিশের পর সিল করে দেওয়া হয়েছে মাদ্রাসাগুলি।
আরও পড়ুন:
তাদের অভিযোগ, বিনা রেজিস্ট্রেশনেই দিনের পর দিন ধরে মাদ্রাসা গুলি খোলা রয়েছে।
মুসৌরি দেরাদুন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে রাজ্য ইসলামিক সংগঠনগুলি। এদিন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অফিসের বাইরে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। মাদ্রাসা ও মসজিদ বন্ধের পদক্ষেপকে অন্যায্য ও অসাংবিধানিক বলেও মন্তব্য করেন।আরও পড়ুন:
আন্দোলন ঠেকাতে পুলিশ দিয়ে ঘিরে ফেলা হয় সংশ্লিষ্ট এলাকা। এমনকি বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে আটক করেন তারা।
আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, রমযান মাসে ইচ্ছাকৃতভাবে এই পদক্ষেপ নিয়েছে ওরা। অশান্তি সৃষ্টি করাই ঘটনার নেপথ্যে। এই প্রেক্ষিতে সংগঠনের সভাপতি নাঈম কুরেশি সংবাদমাধ্যমে জানান, মুসলিম বিদ্বেষ থেকেই রাজ্যের মাদ্রাসাগুলি বন্ধ করা হচ্ছে। মাদ্রাসা বা মসজিদ কোনওটাই বন্ধের পূর্বে নোটিশ দেওয়া হয়নি। দেশজুড়ে মুসলিম বিদ্বেষ মহামারির আকার ধারণ করেছে। সত্যই ভয়াবহ। মাদ্রাসা বন্ধের জন্য আইনত কোনও প্রমাণ বা ব্যাখ্যা ওরা দেয়নি। যতক্ষণ না মাদ্রাসা সিল করে দেওয়ার উপযুক্ত প্রমাণ দেবে ততক্ষণ আমাদের আন্দোলন জারি থাকবে, একইসঙ্গে পুনরায় মাদ্রাসা চালু করার আর্জি জানান তিনি।আরও পড়ুন:
শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কর্তৃপক্ষের অসহযোগিতার অভিযোগও আনেন তিনি। অভিযোগের ভিত্তিতে এসপি সিটি প্রমোদ কুমার জানান, বিক্ষোভকারীরা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অফিসের বাইরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছিল। আর নিষেধ করার পরেও তাঁরা আন্দোলন জারি রেখেছিল। তাই বাধ্য হয়ে জেলা পুলিশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে। যদিও পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।