০৩ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দৃষ্টিহীন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন এবং প্রবীণ নাগরিকদের পুজোর আনন্দে সামিল করতে বিশেষ উদ্যোগ নিল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা

 

 

আরও পড়ুন:         প্রবীণ এবং দৃষ্টিহীনদের জন্য  ‘ভোট ফ্রম হোমের’ নিয়ম চালু করল কর্নাটক সরকার

 

আরও পড়ুন: লেন্স পরেই ঘুম, সকালে অন্ধ যুবক!

 

আরও পড়ুন: কাউন্সিলরের উদ্যোগে বয়স্কদের নিয়ে তীর্থ ভ্রমণ 

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক:  রাত পোহালেই মহালয়া , পুজোর ঢাকে কাঠি পড়তে মাঝে আর মাত্র কয়েকটা দিন। রকমারি ট্রেন্ডি পোশাক, ভালমন্দ খাওয়াদাওয়া আলোচনা চলছে রোজরোজ। কিন্তু ওদের অনেকের শরীরের বয়স বাড়লেও বাড়েনি মনের বয়স, কেউবা এই পৃথিবীতে অনুভব করে শুধুই স্পর্শ দিয়ে। অনেকে পেরিয়ে  এসেছেন নিজের স্বর্ণালী অতীত। এখন শুধুই সংসারের এককোনে দিনযাপন। দৃষ্টিহীন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন এবং প্রবীণ নাগরিকদের পুজো ঘুরে দেখানোর বন্দোবস্ত করলো শহরের  এক স্বেছাসেবী সংস্থা।

 

সাইনি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, মমতা সুমিত বিনানী ফাউন্ডেশন, রোটারি ক্লাব অফ ক্যালকাটা ওল্ড সিটির সহযোগিতায় দৃষ্টিহীন,  বিশেষ ভাবে সক্ষম ও প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিশেষ  পুজো পরিক্রমার ব্যবস্থা করেছে। রোটারি সদনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়, হাজরা পার্ক দুর্গোৎসব কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সায়ন দেব চ্যাটার্জি,রোটারি ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণ ভৌমিক সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ।

হাজরা পার্ক দুর্গোৎসব কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সায়ন দেব চ্যাটার্জি বলেন, “এই পুজোর মরসুমের শুরুতে, যখন সকলেই উৎসবের আনন্দে সামিল হতে চায় তখন আমরা মানবতার তাগিদ থেকেই  একটি অনন্য লড়াইকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পুজো মন্ডপের ভিড়ে নয় ওরা দেবী দর্শনের সুযোগ পাবেন আলাদা ভাবে।

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার অন্যতম পৃষ্ঠপোষক মমতা বিনানি বলেন যখন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্যান্ডেলে প্রবেশের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হবে না এবং পূজা প্রাঙ্গণে সরাসরি প্রবেশাধিকার থাকবে, তখন তা সত্যিই ভিন্নভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের উৎসবের আনন্দে অংশগ্রহণ করতে অনুপ্রাণিত করবে।

সর্বধিক পাঠিত

যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা: নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসে ধাক্কা ভ্যানের, মৃত ৬, আশঙ্কাজনক ৩

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দৃষ্টিহীন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন এবং প্রবীণ নাগরিকদের পুজোর আনন্দে সামিল করতে বিশেষ উদ্যোগ নিল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার

 

 

আরও পড়ুন:         প্রবীণ এবং দৃষ্টিহীনদের জন্য  ‘ভোট ফ্রম হোমের’ নিয়ম চালু করল কর্নাটক সরকার

 

আরও পড়ুন: লেন্স পরেই ঘুম, সকালে অন্ধ যুবক!

 

আরও পড়ুন: কাউন্সিলরের উদ্যোগে বয়স্কদের নিয়ে তীর্থ ভ্রমণ 

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক:  রাত পোহালেই মহালয়া , পুজোর ঢাকে কাঠি পড়তে মাঝে আর মাত্র কয়েকটা দিন। রকমারি ট্রেন্ডি পোশাক, ভালমন্দ খাওয়াদাওয়া আলোচনা চলছে রোজরোজ। কিন্তু ওদের অনেকের শরীরের বয়স বাড়লেও বাড়েনি মনের বয়স, কেউবা এই পৃথিবীতে অনুভব করে শুধুই স্পর্শ দিয়ে। অনেকে পেরিয়ে  এসেছেন নিজের স্বর্ণালী অতীত। এখন শুধুই সংসারের এককোনে দিনযাপন। দৃষ্টিহীন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন এবং প্রবীণ নাগরিকদের পুজো ঘুরে দেখানোর বন্দোবস্ত করলো শহরের  এক স্বেছাসেবী সংস্থা।

 

সাইনি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, মমতা সুমিত বিনানী ফাউন্ডেশন, রোটারি ক্লাব অফ ক্যালকাটা ওল্ড সিটির সহযোগিতায় দৃষ্টিহীন,  বিশেষ ভাবে সক্ষম ও প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিশেষ  পুজো পরিক্রমার ব্যবস্থা করেছে। রোটারি সদনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়, হাজরা পার্ক দুর্গোৎসব কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সায়ন দেব চ্যাটার্জি,রোটারি ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণ ভৌমিক সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ।

হাজরা পার্ক দুর্গোৎসব কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সায়ন দেব চ্যাটার্জি বলেন, “এই পুজোর মরসুমের শুরুতে, যখন সকলেই উৎসবের আনন্দে সামিল হতে চায় তখন আমরা মানবতার তাগিদ থেকেই  একটি অনন্য লড়াইকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পুজো মন্ডপের ভিড়ে নয় ওরা দেবী দর্শনের সুযোগ পাবেন আলাদা ভাবে।

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার অন্যতম পৃষ্ঠপোষক মমতা বিনানি বলেন যখন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্যান্ডেলে প্রবেশের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হবে না এবং পূজা প্রাঙ্গণে সরাসরি প্রবেশাধিকার থাকবে, তখন তা সত্যিই ভিন্নভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের উৎসবের আনন্দে অংশগ্রহণ করতে অনুপ্রাণিত করবে।